Logo
Logo
×
   

অন্যান্য

নিরাপত্তা তুলনায় দেশে খাদ্যশস্য মজুত আছে বেশি: মন্ত্রী আফরোজা

Icon

বাসস

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম

নিরাপত্তা তুলনায় দেশে খাদ্যশস্য মজুত আছে বেশি: মন্ত্রী আফরোজা

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুতের তুলনায় বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবাতর (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে মোট ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত ছিল।

তিনি বলেন, গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় স্বাভাবিক সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত ১৪ লাখ মেট্রিক টন এবং সংকট সময়ে ১৫ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘সুতরাং দেশে খাদ্য (চাল ও গম/আটা) ঘাটতির কোনো সুযোগ নেই,’ বলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ‘ফুড আউটলুক’-এর তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ মেট্রিক টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি জানান, মোট চাল সরবরাহের মধ্যে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে এবং ১২ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন এসেছে আমদানির মাধ্যমে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, একই অর্থবছরে দেশে গমের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৮২ লাখ মেট্রিক টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৮৩ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ছিল ১০ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন এবং আমদানির পরিমাণ ছিল ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এফএও-এর ‘ফুড আউটলুক’ অনুযায়ী দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ৪ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন এবং গমের চাহিদা ৮৩ লাখ মেট্রিক টন হতে পারে।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ও বেসরকারি উভয় খাতই চাল ও গম আমদানি করে থাকে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম