সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে যে ‘টার্গেট’ সরকারের
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ফের গতি আনতে চায় সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ কোটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্যকে (অর্থাৎ ৪ কোটি নাগরিককে) এই স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। সেই লক্ষে ইতোমধ্যে লেনদেন ও হিসাবের জন্য ৪৫টি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজিএমইএ ভবনে পোশাক কারখানা শ্রমিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা জানান জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. সুরাতুজ্জামান।
সভায় সুরাতুজ্জামান বলেন, ১৮ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত ৪টি স্কিমে বিভিন্ন মেয়াদে নির্দিষ্ট অর্থ জমা রাখা যাবে। ৬০ বছর থেকে আমৃত্যু পেনশন পাবেন অর্থ জমাকারী। এক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মুনাফার হার ধরা হয়েছে ৮ শতাংশ। ৭৫ বছর আগে তার মৃত্যু হলে নমিনি ৭৫ বছর পূরণ হওয়া পর্যন্ত অর্থ পাবেন। পেনশন থেকে প্রয়োজনে ৩০ শতাংশ টাকা এককালীন উত্তোলন করা যাবে।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, এরইমধ্যে ৩ লাখ ৮০ হাজারের মতো মানুষ বিভিন্ন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। অর্থ জমা হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। প্রকল্পের আরও উন্নয়নে এডিবি থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার ঋণের সম্মতি মিলেছে।
এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে ৬০ বছরের বদলে ৫৫ বছর থেকেই পেনশন দেওয়ার সুপারিশ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকার কিছু প্রণোদনা দিলে আরও তরান্বিত হবে স্কিম কার্যক্রম।
