Logo
Logo
×
   

Advertisement

অন্যান্য

সরকারি চাকরি

১১-২০তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি নিয়ে যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

১১-২০তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি নিয়ে যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ফাইল ছবি

Advertisement

সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষায় মৌখিকের নম্বর বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কাউকে সুবিধা দিতে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর সমান (৫০-৫০) করা হচ্ছে। প্রক্সি পরীক্ষা বা জালিয়াতি রোধের যুক্তি দেখিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় এ সংক্রান্ত একটি বিধিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে সাবেক সচিব ও প্রশাসন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এর ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা চরমভাবে ব্যাহত হবে এবং প্রশাসনে দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয় লোক বসানোর রাস্তা আরও সুগম হবে। এর আগে লিখিত পরীক্ষায় নম্বর বেশি থাকায় মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ থাকলেও নতুন নিয়মে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ায় কম যোগ্যতাসম্পন্ন বা দলীয় বিবেচনাধীন প্রার্থীদের সহজেই চাকরি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে- সম্প্রতি লক্ষ করা গেছে যে, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি বা জালিয়াতির মাধ্যমে অনেকে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে প্রকৃত চাকরিপ্রত্যাশীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। এটি রোধ করতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর অভিন্ন অর্থাৎ ৫০:৫০ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ‘পরীক্ষার মানবণ্টন বিশেষ বিধিমালা-২০২৬’ প্রণয়নের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

এর আগে বিভিন্ন দপ্তরের নিয়োগবিধির সামঞ্জস্য বিধানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীরকে সভাপতি করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিল সরকার। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের প্রতিনিধি রাখা হয়। এ কমিটিই মূলত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৫০:৫০ করার সুপারিশ করেছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম