Logo
Logo
×
   

Advertisement

অন্যান্য

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকা নিয়ে প্রশ্ন, আচরণবিধি চায় টিআইবি

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকা নিয়ে প্রশ্ন, আচরণবিধি চায় টিআইবি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ফাইল ছবি

Advertisement

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার এবং রিমান্ডের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্যদের জন্য অবিলম্বে বাধ্যতামূলক নৈতিক আচরণবিধি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি বলেছে, দলীয় তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হয়ে গাজী নজরুল দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও তার সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মরিয়মের মৃত্যু এবং এর আগে সেক্সটরশন বা যৌন ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগের নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত তদন্তের দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। তবে একজন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে ধারাবাহিক গুরুতর অভিযোগ ও নৈতিক প্রশ্ন জাতীয় সংসদের মর্যাদার জন্য অবমাননাকর। ফৌজদারি দায় নির্ধারণ করবে আদালত। কিন্তু সংসদ সদস্যের নৈতিকতা, ক্ষমতার ব্যবহার ও জনগণের আস্থার প্রশ্নে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংসদের।

তিনি বলেন, গাজী নজরুলের সংসদীয় অবস্থান নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে স্পষ্ট করতে হবে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড হলে একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হন। ফলে অভিযোগ, গ্রেফতার, রিমান্ড বা দলীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিজে থেকেই তার সাংবিধানিক অযোগ্যতা সৃষ্টি করে না। তবে গুরুতর নৈতিক স্খলন, স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী আচরণের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা হবে- তা স্পষ্ট করার প্রয়োজন রয়েছে।

টিআইবি জানায়, সংসদ সদস্যদের নৈতিক আচরণবিধির দাবি নতুন নয়। ২০১০ সালে ‘দ্য মেম্বার্স অব পার্লামেন্ট কন্ডাক্ট বিল, ২০১০’ সংসদে উত্থাপিত হলেও তা আইনে পরিণত হয়নি। পরবর্তী সময়ে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনও সংসদ সদস্যদের জন্য পৃথক ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট কন্ডাক্ট অ্যাক্ট’ প্রণয়নের সুপারিশ করেছে।

টিআইবির দাবি, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের পরও জনপ্রতিনিধিদের জন্য কার্যকর বাধ্যতামূলক আচরণবিধি প্রণয়ন না হওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম