কেন ঢাকা থেকে বারবার দিল্লিতে যান ত্রিবেদী, করেন মোদির সঙ্গে বৈঠক
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
নরেন্দ্র মোদি ও দিনেশ ত্রিবেদী বৈঠক। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীনেশ ত্রিবেদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (ক্যাবিনেট) মন্ত্রীর সমমর্যাদা দিয়ে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত করেছে ভারত সরকার। ত্রিবেদী ঢাকায় আসার পর থেকেই ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সরকারের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। পরে আবার দিল্লি গিয়ে বৈঠকের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করছেন। ঢাকা থেকে একাধিকবার দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকও করেছেন ত্রিবেদী।
সর্বশেষ আজ (৬ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। নয়াদিল্লিতে এই অনির্ধারিত ও হঠাৎ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয়ে ঢাকার বর্তমান অবস্থান নয়াদিল্লির কাছে তুলে ধরতেই এই সফর। সোমবার রাতে ঢাকা থেকে দিল্লি পৌঁছে মঙ্গলবার দুপুরে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। আগামী বৃহস্পতিবার তার ঢাকায় ফিরে আসার কথা রয়েছে।
বৈঠক শেষে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি বৈঠকে বসেন, তবে এমন কোনো সমস্যা থাকবে না যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগেও গত আগস্ট মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর হঠাৎ দিল্লি গিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন এই হাইকমিশনার। তবে এবারের আকস্মিক সফর বা বৈঠক নিয়ে দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির বিষয়ে ঢাকার বার্তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পৌঁছে দিয়েছেন ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের পর দিল্লিতে গিয়ে ১১ আগস্ট নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।
কূটনৈতিক সূত্রে আরও জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে হাইকমিশনার ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তার দিকনির্দেশনা চেয়েছেন। বিশেষ করে দুই দেশের বহুমাত্রিক ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে ‘গঠনমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক’ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে বিকশিত করতে কী করা উচিত, সে বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করতে পারেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে গত সোমবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সুবিধাজনক সময়েই দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাবেন।
