ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী করায় মোহাম্মদপুরে আনন্দ উচ্ছ্বাস
Advertisement
তেজগাঁও (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর ঢাকা-১৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা নতুন প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন। নাগরিকরা বলেন, একজন উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই খবরে গর্বিত ও আনন্দিত মোহাম্মদপুরবাসী। তাদের বিশ্বাস, শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মোহাম্মদপুরের কয়েকজন বাসিন্দা যুগান্তরকে জানান,‘আমরা একজন ভালো মানের ও শিক্ষিত প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি নির্বাচনের আগে যে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ববি হাজ্জাজের উদ্যোগ দৃশ্যমান হবে।
এর আগে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ববি হাজ্জাজ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মামুনুল হককে ৩৭ শত ১২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো সমস্যা রয়েছে। তারা নতুন এমপি ও প্রতিমন্ত্রীর কাছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।
১৩ আসনের বাসিন্দা মাসুম যুগান্তরকে বলেন, ‘এই এলাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং। আমরা চাই এগুলো আর দেখতে না হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় যেনো সক্রিয় থাকে।”
সাধারণ নাগরিকদের প্রত্যাশা, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকার সার্বিক উন্নয়নেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন ববি হাজ্জাজ। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং নিরাপদ জনপদ গঠনে তার কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন মোহাম্মদপুর আদাবরব ও শেরেবাংলা নগর এলাকার বাসিন্দারা।
