যাত্রীর ইমিগ্রেশন শেষ হতেই লাগেজ দিতে চান প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ‘বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী যাতে তার লাগেজ পেয়ে যান, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিশেষ করে প্রবাসীরা আসলে যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয় এবং কোনো দুর্নীতির শিকার না হতে হয়, সেটি আমাদের লক্ষ্য।’
বিএনপি সরকারের প্রথম দিন বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মিল্লাত বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হলো একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ—বেল্টে পেয়ে যান। সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা এমন এক পরিবর্তন আনব, যাতে মানুষ একটি নতুন অভিজ্ঞতা পায়।
জামালপুর-১ আসনের এমপি মিল্লাত বলেন, ‘আমরা তো পরিকল্পনা শুরু করেছি। শুধু টিকেটিং নয়, আমাদের সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং সচিব সাহেবও আছেন।’
তিনি বলেন, আ‘মরা বিমানবন্দরকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে চাই, যাতে শুধু টিকেটিং নয়—সিন্ডিকেট তো আছেই—লাগেজ হ্যান্ডেলিং থেকে শুরু করে প্রবাসী যাত্রীরা এসে যে ভোগান্তিতে পড়েন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
টিকেট সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক ক্ষেত্রে শুনেছি যে বিমান খালি যাচ্ছে, কিন্তু মানুষ টিকেট পাচ্ছে না। এগুলোর পেছনেও সিন্ডিকেট আছে। আমরা কেবল দায়িত্ব গ্রহণ করলাম, তবে সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত এবং এগুলো নিরসনে পরিকল্পনা তৈরি করেছি।’
খুব শিগগির আপনারা একদম র্যাডিকাল না হলেও ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন বলে মন্তব্য করেছে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই যেন মানুষ পরিবর্তনের একটি আভাস পায়।’
এক প্রশ্নের জবাবে মিল্লাত বলেন, ‘এখনো পুরো সেক্টর দুর্নীতিমুক্ত হয়নি, আর সেটি ঠিক করার জন্যই আমাদের চেষ্টা চলছে। আমরা এখন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসব এবং আলোচনা করব। বিশেষ করে পর্যটন নিয়ে আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা আছে।’

