Logo
Logo
×
   

জাতীয়

ভারতে বসে দুবাইয়ের ভিডিও বানিয়েছিলেন, ফয়সালকে সাংবাদিকরা

Icon

কলকাতা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

ভারতে বসে দুবাইয়ের ভিডিও বানিয়েছিলেন, ফয়সালকে সাংবাদিকরা

ফয়সাল করিম মাসুদ। ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে রোববার (২২ মার্চ) সকালে বিধাননগর আদালতে তোলা হয়। ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আদালত তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে আদালত জানায় কারাগারে তাদের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

রিমান্ড শেষ হওয়ার পর সকালে প্রথমে তাদের বিধাননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শারীরিক পরীক্ষার জন্য। সেখান থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। সীমান্ত পারাপার, আশ্রয় নেওয়ার স্থান এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের নিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে।

গত ৮ মার্চ বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে এই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক শুনানিতে আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়।

সেই সময় তদন্তকারীরা দাবি করেন, অভিযুক্তদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও পালানোর পথ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া গেছে। রোববার আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। একের পর এক প্রশ্নের মুখে ফয়সাল ও আলমগীর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

তারা জানান, এ ঘটনায় তাদের ফাঁসানো হয়েছে।

পরে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তুমি (ফয়সাল) পালালে কেন। এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি ফয়সাল করিম মাসুদ। 

ভিডিও বিষয়ে সাংকাদিকরা প্রশ্ন করেন- ভারতে বসে দুবাইয়ের ভিডিও বানিয়েছিলেন- যে তুমি (ফয়সাল) দুবাইয়ে আছো। এমন প্রশ্ন করা হলেও ফয়সাল কোনো কথা বলেনি।

তদন্তকারী সংস্থা আদালতে জানায়, এ ঘটনায় একটি বড় নেটওয়ার্ক জড়িত থাকতে পারে। সেই দিকটি খতিয়ে দেখতে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আদালত সেই রিপোর্ট বিবেচনা করে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের পথ খোলা রাখে।

গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় নির্বাচনি প্রচারের সময় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা গুলি করে গুরুতর জখম করে ওসমান হাদিকে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।

তদন্তের সূত্র ধরে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যাওয়া এই দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মামলার তদন্ত আরও গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। কারা এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন দিক যাচাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী দিনে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .