ত্রিপুরায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
Advertisement
আখাউড়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:০২ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হলো বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ত্রিপুরার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। রাজ্যের রাজধানী আগরতলার কুঞ্জবনে সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ছিল দিবসের প্রথম পর্বের আয়োজন।
এদিন সকাল ৯টায় কুঞ্জবনের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে অস্থায়ী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সহকারী হাইকমিশনার হাসান আল বাশার আবুল উলায়ী। পরে একে একে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীসহ কমিশনের সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
পরে দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল পলো টাওয়ারে রাজ্যের বিশিষ্টজন ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা সভায় বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসের ইতিহাস তুলে ধরে বিস্তর আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ত্রিপুরা রাজ্যের পঞ্চায়েত, উচ্চশিক্ষা, জেনারেল ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (পলিটিক্যাল) বিষয়ক মন্ত্রী কিশোর বর্মণ এবং বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনার হাসান আল বাশার আবুল উলায়ী।
আলোচনা সভায় রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার রামপদ জামাতিয়া, ত্রিপুরা রাজ্য বিজিপির প্রসিডেন্ট রাজীব ভট্টাচার্য, ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের সচিব ড. কে শশীকুমার, স্পেশাল সচিব রতন বিশ্বাস, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরা রাজ্যে অংশগ্রহণকারী এবং মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য ছাড়াও মৈত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ত্রিপুরার সুনামধন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, ব্যবসায়ী নেতা এবং ত্রিপুরার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
