Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

চিঠিতে আগামী ১০ মে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মার্কেট ও বিপণি বিতান খোলা রাখার সুযোগ চাওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এই অনুরোধ জানানো হয়। 

চিঠিতে সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া বর্তমান ব্যাবসায়িক মন্দা পরিস্থিতি এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যবসায়ীদের ত্যাগের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎ অধিদপ্তরে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন জেলা শাখার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুরোধ জানানো হয়।

এরপর ৫ এপ্রিল পুনরায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে সমিতির নেতাদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ব্যবসায়ীরা বর্তমানে দেশের জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সারা দেশের মার্কেট ও বিপণী বিতান বন্ধ করে আসছেন।   

সমিতির দাবি, ব্যবসায়ীদের জন্য এই পরিস্থিতিতে বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে ব্যবসায়ীরা চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন এবং অসন্তোষও বাড়ছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঈদুল আজহার আগে দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

একই সঙ্গে বিভিন্ন জেলায় অপরিকল্পিত বাণিজ্য মেলা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। তবে বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় এখনো মেলা চলছে বলে অভিযোগ করা হয়। এসব মেলায় নিম্নমানের পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলেও জানানো হয়।

সমিতির নেতারা বলেন, ঈদুল আজহায় সাধারণত বেচাকেনা ভালো হয়। তাই দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানো হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। 

তারা আরও জানান, বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

এ কারণে আগামী ১০ মে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মার্কেট ও বিপণি বিতান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ঈদুল আজহার পর ৭ দিন তারা মার্কেট ও বিপণি বিতান বন্ধ রাখবেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম