Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার: শিল্পমন্ত্রী

Advertisement

Icon

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০২:০৭ পিএম

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার: শিল্পমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বিসিক শিল্পনগরী পরিদর্শনে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মূলত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই শিল্পনগরীতে ভবিষ্যতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আলু, চা ও দুগ্ধভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় সরকার।

শনিবার (৯ মে) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বিসিক শিল্পনগরী পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে আগে থেকেই একটি ইপিজেড সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বিসিক শিল্পনগরীটি মূলত কৃষিনির্ভর ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ইতোমধ্যে দেশের বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা এখানে শিল্প স্থাপনে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং প্লট নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, বেকারত্ব দূর করতে হলে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্প-কারখানা স্থাপনের কোনো বিকল্প নেই। এই শিল্পপার্কটি সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য জনগোষ্ঠীকে ‘স্কিলড ম্যানপাওয়ার’ বা দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা।

মন্ত্রী বলেন, এই মডেলটি সফল হলে দেশের অন্যান্য প্রান্তেও একই ধরনের বিশেষায়িত শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের সফলতার চিত্র তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এখানকার মোজারেলা চিজ এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া সমতলের চা চাষে বিপ্লব ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। দুজন বড় উদ্যোক্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, যারা বছরে প্রায় ১৯ লাখ কেজি চা প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করছেন। এই সাফল্যই প্রমাণ করে এখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। 

দেশের উদ্বৃত্ত আলু নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, চিপস বা পটেটো ফ্লেক্স তৈরির জন্য বিশেষ জাতের আলুর প্রয়োজন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কৃষকদের ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’-এর আওতায় উন্নত জাতের আলু চাষে উৎসাহিত করা হবে। এতে করে দেশে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ আলুর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং রপ্তানি আয় বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০ একর জায়গা জুড়ে নির্মিত এই শিল্পপার্কে মোট ২৫১টি প্লট রয়েছে। তবে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য কোনো কোনো উদ্যোক্তা একাধিক প্লট বরাদ্দ নিতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. খায়রুজ্জামান, সচিব মো. ওবাইদুর রহমান, বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল হক সুমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম