Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

সন্তান সংখ্যা বিবেচনায় মাতৃত্বকালীন ছুটি কমানোর বিধান স্থগিত চেয়ে রিট

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম

সন্তান সংখ্যা বিবেচনায় মাতৃত্বকালীন ছুটি কমানোর বিধান স্থগিত চেয়ে রিট

Advertisement

দুটির বেশি সন্তান হলে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও মাতৃত্ব সুবিধা সীমিত বা অস্বীকার করার বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। 

সোমবার (১৫ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এই রিট দায়ের করেন। রিটে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান, বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের (বিএসআর) প্রাসঙ্গিক বিধান চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি কোনো বিশেষ সুবিধা বা সন্তান জন্মদানে উৎসাহ প্রদানের উপকরণ নয়; বরং এটি একজন মায়ের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, প্রসব-পরবর্তী পুনরুদ্ধার, নবজাতকের পরিচর্যা এবং ব্রেষ্ট ফিডিং নিশ্চিত করার জন্য একটি অত্যাবশ্যক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন নারী প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তান জন্মদান করুন না কেন, প্রসবজনিত শারীরিক ঝুঁকি, চিকিৎসা প্রয়োজন, বিশ্রাম এবং নবজাতকের যত্নের প্রয়োজনীয়তা একই থাকে। ফলে শুধুমাত্র সন্তানের সংখ্যার ভিত্তিতে মাতৃত্বকালীন ছুটি বা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক এবং সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রিটে দাবি করা হয়েছে যে, এ ধরনের বিধান সংবিধানের ৭, ১৫, ১৮, ২৬, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমতা, বৈষম্যহীনতা, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকারের পরিপন্থী। এছাড়া এটি মাতৃত্ব ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বের সঙ্গেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদের (সিইডিএডব্লিউ) সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে মাতৃত্ব সংক্রান্ত বৈষম্য দূর করার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার অধীন।

রিটে নারীদের জন্য সন্তানের সংখ্যা নির্বিশেষে বৈষম্যহীন ও সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত মাতৃত্বকালীন সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা করার আবেদন করা হয়।

পরে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ‘মাতৃত্বকালীন ছুটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কোনো উপকরণ নয়। এটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। একজন মা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেও তার স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার প্রয়োজন কমে যায় না।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম