Logo
Logo
×
   

জাতীয়

ধর্মমন্ত্রীর কাছে যে প্রশ্নের জবাব চাইলেন রুমিন ফারহানা

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পিএম

ধর্মমন্ত্রীর কাছে যে প্রশ্নের জবাব চাইলেন রুমিন ফারহানা

ধর্ম বিষয়কমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ফাইল ছবি

ধর্ম বিষয়কমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ জানিয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার কিছু অংশে তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

লিখিত প্রশ্নে রুমিন ফারহানা জানতে চান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক উপজেলার ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?  

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন হতে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম এবং খতিবগণের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার ও সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ ও গুজবের কুফল সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়। এছাড়া উক্ত এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আগামীতে সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় যুব সমাজের জন্য এই ধরণের সচেতনতামূলক নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি কার্যক্রম আরও বেগবান করবার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। 

তিনি আরও জানান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সচেতনমূলক কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবাইত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য ছাত্র-যুবাদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালা খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়মিত আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে থাকে।  

এছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ধর্মমন্ত্রী।  

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .