বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে পুনর্বাসনই এখন সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী অমিত
Advertisement
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টানা নয় দিনের ভারি বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তিনি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকালে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়ায়- এমন কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারের ওপর জনগণের আস্থা রাখা প্রয়োজন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির মালিকদের পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বন্যার পানি সম্পূর্ণ সরে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এনএম সাজিদুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের উপপ্রকৌশলী আল আমিন বিশ্বাসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
