Logo
Logo
×
   

জাতীয়

কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি হলে কঠোর ব্যবস্থা: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

Icon

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:১২ পিএম

কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি হলে কঠোর ব্যবস্থা: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: যুগান্তর

কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হাজারিখিল অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, কাঠ পুড়িয়ে যদি কোনো ইট তৈরি করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ডিসি, ইউএনও এবং পরিবেশের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। এ ধরনের কোনো ইটভাটা পাওয়া গেলে আমরা কঠোর অবস্থানে থাকব।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ২৩ লাখ ৫৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতেও বৃক্ষরোপণ ও গাছ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রেখে যেতে চান তারা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার কাজ করছে।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা, তা দেখতেই আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।

হালদা নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে কথা বলছি। প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় সমন্বিতভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাজ করা হবে।

গাছ পাচার ও বন উজাড়ের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকার আন্তরিক। পরিবেশ ধ্বংস হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। বন বিভাগের জমি যারা দখল করে রেখেছে, তাদের উচ্ছেদে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির বিষয়ে তিনি বলেন, শিপইয়ার্ডে মৃত্যু দুঃখজনক। এটি ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। যারা এ শিল্প পরিচালনা করছেন, তাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তাহলে এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, পুরোনো পদ্ধতি পরিবর্তন করে পরিবেশবান্ধব শিপইয়ার্ড ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে শিল্প মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ জন্য তাদের সময় দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম