শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করেছে: অর্থমন্ত্রী
যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে উপাচার্যদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও উদ্ভাবনী, জবাবদিহিমূলক, সুশাসিত এবং পরিবর্তিত বিশ্বের জন্য দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে সক্ষম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট ইতিহাসে কখনো হয়নি, যা বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করেছে।
শুক্রবার দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ার খাগান এলাকায় ব্র্যাক সিডিএমে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে উপাচার্যদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইউজিসি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিতব্য এ সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন, ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না। এর কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার মান, গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগের প্রত্যাশিত ফল নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বর্তমান বাজারমুখী অর্থনীতিতে শিক্ষারও অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে উল্লেখ করে আমির খসরু চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিজেদের গবেষণা সক্ষমতা ও উদ্ভাবন সম্পর্কে শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের কার্যকর সহযোগিতা ছাড়া দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন ব্যবস্থা টেকসই হবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশের শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় অর্থায়ন এবং গবেষণার ফল বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারে এগিয়ে আসতে হবে। গবেষণা যেন শুধু প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং জাতীয় উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ জন উপাচার্যসহ নীতিনির্ধারক, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ এবং ইউজিসি ও হিট প্রকল্পের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
