Logo
Logo
×
   

জাতীয়

কলকাতা থেকে দুই সীমান্ত দিয়ে ফিরছে ছয় বাংলাদেশির লাশ

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৫ এএম

কলকাতা থেকে দুই সীমান্ত দিয়ে ফিরছে ছয় বাংলাদেশির লাশ

সংগৃহীত ছবি

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের লাশ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছয়জনের লাশ ভারত-বাংলাদেশের দুই সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হবে। অপর এক বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের লাশ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। তারা হলেন- কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, শর্ণশীষ দত্ত, মো. আকরাম আলী এবং সাভারের আহামেদ বাবু। এছাড়া সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকালের মধ্যেই লাশগুলো দেশে পাঠানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। 

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা সম্ভব না হলে লাশ দেশে পাঠাতে শনিবার (২২ আগস্ট) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

নিহত সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের লাশ পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতাতেই সৎকারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেবতী সরকারের ছেলে তার মায়ের লাশ কলকাতাতেই সৎকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে এজন্য পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন। বিষয়টি ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

বুধবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে দুইজন ভারতীয় নাগরিকও ছিলেন।

আরও ১৭ হোটেলকে শোকজ : এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার মার্কুইস স্ট্রিট এলাকার হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ ও দমকল বিভাগ। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকার অভিযোগে এলাকার আরও ১৭টি হোটেলের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। 

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে নয়টি আবাসিক হোটেল এবং চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নতুন ১৭টি হোটেলকে যুক্ত করলে এখন পর্যন্ত মোট ২৬টি হোটেল এবং চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে। 

প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত এসব হোটেল ও রেস্তোরাঁয় নতুন করে অতিথি রাখার অনুমতি থাকছে না। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং ব্যবসা পরিচালনার বৈধতা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .