Logo
Logo
×
   

জাতীয়

হাসপাতালে টুকু-নূর, ভিডিও ধারণে সাংবাদিককে বাধা, মোবাইল তল্লাশি-আটকের হুমকি

Icon

হাজারীবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

হাসপাতালে টুকু-নূর, ভিডিও ধারণে সাংবাদিককে বাধা, মোবাইল তল্লাশি-আটকের হুমকি

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসাদুজ্জামান নূর। ছবি: যুগান্তর

সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু এবং সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে আনা হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের সদস্যরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এ সময় হাসপাতালের আশপাশে তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও দেখা যায়।

সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে আসাদুজ্জামান নূরের ভিডিও ধারণ করতে গেলে সেখানে থাকা পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের সদস্যরা প্রতিবেদককে বাধা দেন। তারা ভিডিও ধারণ না করতে বলেন। একপর্যায়ে প্রতিবেদকের মোবাইল ফোন তল্লাশি করার চেষ্টা করা হয় এবং তাকে আটকের হুমকিও দেওয়া হয়।

এ সময় গোলাম সাঈদ নামে কারা কর্তৃপক্ষের এক সদস্য আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবেদকের মোবাইল ফোনে হাত দেন। তারা বলেন, এই ভিডিও বাইরে প্রকাশ হলে আমাদের চাকরি নিয়ে সমস্যা হবে।

তবে সরেজমিনে সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকুকে দেখা যায়নি। পরে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলের ইনচার্জ সৌমেনের বক্তব্যে টুকু ও আসাদুজ্জামান নূর দুজনের হাসপাতালে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সৌমেন যুগান্তরকে বলেন, আপনাদের এই ঘটনাটি আমি ভেতরে শুনেছি। এমনিতে নিয়ম অনুযায়ী, কোনো আসামির ছবি অথবা ভিডিও করতে পারবেন না। তাহলে আমাদের অফিসারদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

টুকু ও নূরকে হাসপাতালে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উনারা আমি যতদূর জানতে পেরেছি, নিয়ম অনুযায়ী চেকআপ করতে এসেছেন। সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর প্রায়ই চিকিৎসার জন্য আসেন।

তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব সম্পর্কে সৌমেন বলেন, তবে আমি ইনচার্জ হিসেবে এখন আমার আন্ডারে আসেননি তারা। উনাদের কারা কর্তৃপক্ষ নিয়ে এসেছে। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যদি ভর্তি করা হয়, তাহলে আমার আন্ডারে আসবে। এখন আমি কথা বলতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এখানে কারারক্ষী এবং পুলিশরা তাদের তদারকি করবে।

এদিকে টুকু ও নূরের কী ধরনের শারীরিক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছে, কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং তাদের ভর্তি করা হবে কিনা— এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ক্ষুদে বার্তায় যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম