পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সুইস রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, বাড়ছে বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাতে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। তারা অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় বাংলাদেশের কর্মীদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়াতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদারে নিয়মিত মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন, বার্নে বাংলাদেশের নতুন দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু হলে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বহুপক্ষীয়তাবাদ, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা—এসব অভিন্ন মূল্যবোধের প্রতি দুই দেশ নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। এসব মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করা হয়।
বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।
