|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সাধারণ মানুষের জন্য সশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের অংশ হিসাবে ২০২৬ সালের তুলনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের মূল খরচ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সোমবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য আনিসুর রহমানের (মাদারীপুর-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
চলতি বছর (২০২৭) হজযাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল প্যাকেজের সঙ্গেই খাবারের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; যা মূল হজের খরচে ৩৯ হাজার ৫০৮ টাকা যুক্ত করেছে।
ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হজ ব্যবস্থাপনা একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এর মোট বায় নির্ধারণ মূলত সৌদি আরব ও বাংলাদেশ অংশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত। মোট খরচের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশই সৌদি আরব অংশে ব্যয় হয়। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতে তাঁবু ভাড়া, স্থানীয় যাতায়াত ব্যবস্থা, মিনা, মক্কা ও মদিনায় আবাসন, কোরবানি, ভিসা এবং স্বাস্থ্য বীমা ফি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে অবশিষ্ট এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশের অংশে পড়ে, যার সিংহভাগই বিমান ভাড়া খাতভুক্ত।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, সৌদি সরকার মিনা ও আরাফাতের জন্য পূর্বের সর্বনিম্ন ‘ডি-ক্যাটাগরি’ সেবা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সামগ্রিক হজের খরচ আরও ৭০০ সৌদি রিয়াল বৃদ্ধি পায়, যা দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি রিয়াল ৩৩ টাকা ২০ পয়সা ধরে) প্রায় ২৩ হাজার ২৪০ টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের কারণে ব্যয় বেড়েছে আরও ৩ হাজার ৮২৫ টাকা।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, উপরোক্ত সৌদি অংশের খরচ ও খাবারের মূল্য যুক্ত করার পর বিগত বছরের মূল প্যাকেজ কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হলে এ বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ দাঁড়াত ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪০ টাকা।
তবে পরিস্থিতি সামলাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে আগের বছরের তুলনায় বিমান ভাড়া এক ধাক্কায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
