Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক আওয়ামী ভূমিমন্ত্রীর অবৈধ সম্পদের পাহাড়, দুদককে রিপোর্ট এফবিআইয়ের

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক আওয়ামী ভূমিমন্ত্রীর অবৈধ সম্পদের পাহাড়, দুদককে রিপোর্ট এফবিআইয়ের

সংগৃহীত

Advertisement

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দেশে-বিদেশে গড়া অবৈধ সম্পদের তথ্য পেতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎপরতায় বড় অগ্রগতি এসেছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ফাইলে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী এই মন্ত্রী ও তার স্ত্রী রুকমিলা জামানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা ও সম্পত্তির রেকর্ড চেয়ে দুদকের মানি লন্ডারিং-২ শাখা থেকে পারস্পরিক আইনগত সহায়তার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে।

২০২৫ সালের ১৯ মে সেই আবেদন গ্রহণ করে দেশটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কার্যালয়। আবেদনে শুধু সম্পদের তথ্যই নয়, যুক্তরাজ্যে থাকা অপরাধলব্ধ সম্পদ জব্দ ও বাজেয়াপ্তের বিষয়েও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল।

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি এফবিআইয়ের তদন্তসংক্রান্ত প্রতিবেদন ও সম্পদের রেকর্ড দুদকের হাতে এসে পৌঁছেছে—একটি সিডিতে ধারণ করে পাঠানো হয়েছে এসব নথি। তবে দুদক সূত্র জানিয়েছে, চাওয়া সব তথ্য এখনো সম্পূর্ণভাবে পাওয়া যায়নি; বাকি রেকর্ড ও তথ্য পর্যায়ক্রমে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দ ও বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়াটিও তদারক করছেন দেশটির একজন সরকারি কৌঁসুলি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ। দুদকের কাছে আসা এসব নথি এখন চলমান অনুসন্ধান-তদন্তে যাচাই করে দেখা হবে, কারণ সম্পদের উৎস, প্রকৃত মালিকানা ও অর্থের গতিপথ নির্ধারণে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

তবে এফবিআইয়ের প্রতিবেদনটি ঠিক কবে এসেছে, তাতে কী ধরনের তথ্য রয়েছে কিংবা মোট কত পরিমাণ সম্পদ চিহ্নিত হয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানায়নি দুদক। যুক্তরাষ্ট্রে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামানের কোনো সম্পদ ইতিমধ্যে জব্দ বা বাজেয়াপ্ত হয়েছে কি না, তাও স্পষ্ট করা হয়নি। 

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকার একটি আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের সাতটি দেশে থাকা প্রায় ১ হাজার ৮২৪ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯০৫ টাকা মূল্যের সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তির ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছিল প্রায় ৪৩৬ কোটি ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ২৪২ টাকা। এফবিআইয়ের এই নথি হাতে আসার ফলে ওই মামলার অগ্রগতি আরও গতি পাবে বলে মনে করছেন দুদক-সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম