Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

দ্রুতই পে-স্কেলের গেজেট, বর্তমানে যে মন্ত্রণালয়ে প্রজ্ঞাপন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

দ্রুতই পে-স্কেলের গেজেট, বর্তমানে যে মন্ত্রণালয়ে প্রজ্ঞাপন

Advertisement

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রজ্ঞাপনের খসড়া রেজল্যুশন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে রয়েছে। আইনি যাচাই শেষ হলে এসআরও নম্বর দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে স্কেল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কর্মকর্তা জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর রেজল্যুশনটি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছিল। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেখান থেকে সেটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসে। এরপর প্রজ্ঞাপনটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে এর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা একটি গণমাধ্যমকে জানান, পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে সরকারের পক্ষ থেকে অযথা সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই। প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে, গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন পে স্কেলের বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি বলেন, চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে আদেশ জারি হতে পারে। তবে ভেটিংসহ কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি থাকায় গেজেট প্রকাশে সময় লাগছে।

নতুন বেতন কাঠামোয় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে বেশি। ২০তম গ্রেডে বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ টাকা মূল বেতন রয়েছে। নতুন কাঠামোয় তা বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।

তবে নতুন বেসিকের পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর হবে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যেই তিন ধাপে বাড়তি অর্থ মূল বেতনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে বর্ধিত অংশের অর্ধেক প্রথম ধাপে, এক-চতুর্থাংশ দ্বিতীয় ধাপে এবং বাকি এক-চতুর্থাংশ তৃতীয় ধাপে কার্যকর হবে। প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ক্ষেত্রে বাড়তি অংশের ৪০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ হারে তিন ধাপে নতুন বেসিক কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০তম গ্রেডে ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেসিক বেড়ে ২০ হাজার টাকা হবে। তিন ধাপে যথাক্রমে ১৪ হাজার ১২৫ টাকা, ১৭ হাজার ৬২ টাকা ৫০ পয়সা এবং ২০ হাজার টাকা হবে মূল বেতন।

প্রথম গ্রেডে ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেসিক বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হবে। তিন ধাপে মূল বেতন দাঁড়াবে যথাক্রমে ১ লাখ ৯ হাজার ২০০ টাকা, ১ লাখ ৩২ হাজার ৬০০ টাকা এবং ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

নবম গ্রেডেও মূল বেতন দ্বিগুণ হয়ে ২২ হাজার টাকা থেকে ৪৪ হাজার টাকা হবে। তিন ধাপে এ গ্রেডের বেসিক দাঁড়াবে যথাক্রমে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা, ৩৭ হাজার ৪০০ টাকা ও ৪৪ হাজার টাকা।

নতুন পে স্কেলে বাড়তি বেসিক কার্যকর হলেও সব ভাতা একই সময়ে নতুন হারে দেওয়া হবে না। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন কাঠামোয় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম