Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

জোর করে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যাবে না: স্পিকার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পিএম

জোর করে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যাবে না: স্পিকার

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

Advertisement

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেছেন, সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ইমান ও আস্থা পুনঃস্থাপন, নামাজ কায়েম এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সংসদ সদস্যদের আমল ও চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সংসদে নামাজের বিরতির সময় যথাযথভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। তবে ধর্ম পালন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের বিষয় উল্লেখ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংসদ থেকে কোনো নোটিশ জারি করে কাউকে জোর করে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যায় না।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ আলোচনা হয়। সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, অতীতে সংবিধানে আল্লাহর প্রতি ইমান ও আস্থার বিষয়টি ছিল। পরে তা বাতিল করা হয়েছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান উল্লেখ করে তিনি সংসদে আসর ও মাগরিবের নামাজের বিরতির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন।

এই জামায়াত নেতা বলেন, ক্ষমতার দায়িত্ব পাওয়ার পর মূল কাজ হওয়া উচিত সালাত কায়েম ও যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ থেকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূর করা। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নামাজ ও যাকাত চালুর জন্য স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক উদ্যোগে নামাজ কায়েম ও যাকাত ব্যবস্থা চালু হলে নাগরিকদের চরিত্র গঠনের পাশাপাশি জবাবদিহির পথও সুগম হবে।

জবাবে স্পিকার বলেন, ধর্ম পালন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল। ইসলাম মানবতার ধর্ম। সঠিকভাবে ধর্ম পালন করলে বেহেশত এবং অবহেলা করলে জাহান্নামের বিষয়টি ধর্মীয় বিধানের অংশ। তাই জাতীয় সংসদ থেকে কোনো নোটিশ জারি করে কাউকে জোর করে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যায় না।

তবে ওই সংসদ সদস্যের বক্তব্যে প্রকাশিত অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান স্পিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই আল্লাহর বিধান মেনে চলবেন।

এরপর নামাজ নিয়ে বক্তব্য দিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান ময়মনসিংহ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখরুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, শুধু নির্দিষ্ট জায়গায় নয়, মসজিদের বাইরেও অনেকে নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। এ পর্যায়ে তার বক্তব্য থামিয়ে দেন স্পিকার। তিনি বিষয়টি নতুন বিতর্কে রূপ না দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রুলিং দেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম