Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

৯ হাজার টন ছোলা ও ১ কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম

৯ হাজার টন ছোলা ও ১ কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত

Advertisement

সরকারি মজুত শক্তিশালী করতে ৯ হাজার টন ছোলা এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ছোলা কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ৭৬ কোটি টাকা। অস্ট্রেলিয়ার অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টস থেকে এসব ছোলা কেনা হবে। এক কোটি লিটার রাইস ব্রান তেলের জন্য ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। চারটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান এ তেল সরবরাহ করবে।

এছাড়া ফ্রান্সভিত্তিক বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানি টোটাল এনার্জিস থেকে প্রতিমাসে ২ কার্গো করে আগামী ৯ মাসে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার। প্রয়োজনে দুই পক্ষের সম্মতিতে বাংলাদেশ আগ্রহী হলে কোম্পানিটি থেকে আরও বেশি এলএনজি আমদানি করতে পারবে। 

আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে এসব এলএনজি আমদানি করবে সরকার। প্রতি কার্গো এলএনজি আমদানিতে প্রতি এমএমসিএফটির দাম পড়বে এশিয়ার স্পট মার্কেটের দাম হিসেবে পরিচিত জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) প্লাস ০.০৬ মার্কিন ডলার। 

এটি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি গানভর থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত যে ১৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে, তার দামের তুলনায় কিছুটা কম। 

দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটানোর জন্য টোটাল এনার্জিস এর কাছ থেকে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত প্রতি মাসে ২ কার্গো করে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি বা প্রয়োজনে দুই পক্ষের সম্মতিতে আরও অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। 

কাতার ও ওমান থেকে দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি আমদানির চুক্তি থাকলেও, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশ দুটি চুক্তি অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করতে না পারায় বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে উচ্চ দরে এলএনজি আমদানি করার পাশাপাশি বিকল্প বিভিন্ন উৎস থেকে আমদানির চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি গানভর থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত এলএনজি আমদানির একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। 

এতে ২০২৬-২৮ মেয়াদে ১৪ কার্গো এলএনজি আমদানিতে দাম ধরা হয়েছে দশমিক ০৮৭৫ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ। এছাড়া আগস্ট-সেপ্টেম্বরে সরবরাহের দুটি কার্গোর দামই প্রতি এমএমবিটিইউতে ২৪ ডলারের বেশি ছিল, যা যুদ্ধের আগে প্রচলিত ১০-১২ ডলারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে এই দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়নি। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম