Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ এএম

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

রাজধানী ঢাকায় বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

Advertisement

জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রভাবে বিশ্বের অনেক শহরেই বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭৭ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এই মাত্রার বায়ু নাগরিকদের স্বাস্থ্যের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে ১৫২ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। শহরটির বাতাসের মানও বর্তমানে ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ারের সর্বশেষ সূচকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এ ছাড়া ১৭২ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং, ১৬৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, ১৬৪ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ও পঞ্চম অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার স্কোর ১৫৮।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।

৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম