রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৃক্ষ বন্দনা’ ‘ধরা তরু কাব্য’ অনুষ্ঠিত
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ভারত ও বাংলাদেশের গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘বৃক্ষ বন্দনা’ অবলম্বে ‘ধরা তরু কাব্য-নেচার্স টেল’ নামে একটি বিশেষ নৃত্যনাট্যের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার ছায়ানট মিলনায়তনে এই বিশেষ নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে সরকার বহুমুখী উপায়ে সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ভারত ও বাংলাদেশের গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন, যা মূলত অভিন্ন ঐতিহ্য, সাহিত্য এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই পরিবেশনা আমাদের ধরিত্রী মাতাকে শ্রদ্ধা ও রক্ষা করার যৌথ দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।
‘ধরা তরু কাব্য’ নৃত্যনাট্যে বাংলার ছয়টি ঋতুর (বসন্তের ফুল, গ্রীষ্মের উত্তাপ, বর্ষার বৃষ্টি, শরতের প্রাচুর্য এবং শীতের স্তব্ধতা) নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের অবিচ্ছেদ্য বন্ধনকে উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিবেশন করে তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার, যার শৈল্পিক নির্দেশনায় ছিলেন পূজা সেনগুপ্ত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে এমএস এবং ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তির অধীনে কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একজন দক্ষ ভরতনাট্যম শিল্পী হিসেবে তিনি তার ব্যতিক্রমী শৈল্পিক প্রকাশ এবং নৃত্য শিক্ষার অভিনব পদ্ধতির জন্য পরিচিত।
এই সৃষ্টিশীল আয়োজনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ছাড়াও সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, খ্যাতনামা নৃত্যশিল্পী এবং ঢাকার বিপুল সংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
