Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে তারা সঠিক মর্যাদা দিয়ে ইনভাইট করেনি: স্পিকার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে তারা সঠিক মর্যাদা দিয়ে ইনভাইট করেনি: স্পিকার

সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল যদি একটা সমঝোতায় আসে, তাহলে বিগত ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন ও বঞ্চনা থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে বলেন তিনি।

Advertisement

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের ব্যাপারে তারা এখনো খোলাখুলিভাবে পলিসি জানায়নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারা সেখানে ইনভাইট করেনি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলায় ৪ দিনের সফরের শেষ দিনে ঢাকায় ফেরার পথে ভোলা সার্কিট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের ব্যাপারে কিছু কিছু রিজার্ভেশন আছে, বিশেষ করে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছেন এবং সেখানে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। যেটা সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বলে আমরা মনে করি না। ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার কিন্তু তারাও যে সুসম্পর্ক চায়, তেমন কিছু দেখা যায় না। ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক আমরা চাই। 

স্পিকার বলেন, তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের ফল দেশের প্রতিটি বিভাগে, স্তরে ধস নেমেছে, হত্যা, গুম, খুন, মানিলন্ডারিং অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে, দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উন্নয়ন করতে অনেক সময় লাগবে। সাত মাস এটার জন্য খুবই অল্প সময়।

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় সংস্কার পর্ব ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। প্রধানত আইনকানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে। যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কিছুটা অসুবিধা দেখা দিচ্ছে, রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে এখনো তারা একমত হতে পারেনি।

তিনি বলেন, সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল যদি একটা সমঝোতায় আসে, তাহলে বিগত ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন ও বঞ্চনা থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আশা করি সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সরকার এবং বিরোধী দল একমত হলে আইনে যে সংস্কার করে পরিবর্তন দরকার তা যদি আনতে পারি, তাহলে এই যে গত ১৬ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পাবে।

বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা স্থিতিশীল পরিবেশের প্রয়োজন। বিরোধী দলকেও ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে যদি সুন্দর বোঝাপড়া থাকে, তাহলে দেশ উন্নয়নের পথে যেতে পারবে।

এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম