ডিআরইউর সেরা ক্রীড়াবিদ বাতেন ও ছন্দা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ আসরে সেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে শফিকুল কবির ট্রফি জিতে নিয়েছেন এশিয়ান টিভির বাতেন বিপ্লব। আর সেরা নারী ক্রীড়াবিদ হিসেবে এম আনোয়ারুল হক ট্রফি অর্জন করেছেন দি প্রেসেঞ্জা নিউজ এজেন্সির জাহিদা পারভেজ ছন্দা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল এবং সাবেক ক্রীড়ালেখক, সংগঠক ও ব্যাংকার সেলিম নজরুল হকসহ ডিআরইউর নেতারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের সব ক্রীড়া ফেডারেশনকে একটি সিড মানি দেওয়া হবে। এর লভ্যাংশ থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে, তা দিয়ে খেলা চালানো যাবে। ঠিক সেরকম একটি সিড মানি ডিআরইউকেও দেওয়ার কথা ভাবছি আমরা। যাতে সাংবাদিকদের খেলা আয়োজন করতে কোনো সমস্যা না হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের বলেন, খেলাধুলা দেশের যুব সমাজের চালিকাশক্তি। খেলায় মনন বিকশিত হয়, শরীর ভালো থাকে। তাই আমি ডিআরইউর এই আয়োজনকে স্বাগত জানাই।
সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকরা লেখালেখির পাশাপাশি খেলাতেও যে সেরা, সেটি আবার প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে খেলাধুলার বিষয়ে সহযোগিতা চাই।
ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই কাজ করে না, সদস্যদের বিনোদন, মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা প্রতিদিন অত্যন্ত ব্যস্ততা, চাপ ও নানা ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। তাই কর্মব্যস্ততার বাইরে তাদের মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ডিআরইউ বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। সামনে ডিআরইউর উদ্যোগে ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় ও বৃহৎ পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউর ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিড মানির প্রয়োজন রয়েছে। এ জন্য সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ক্রীড়াপ্রেমী ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি ডিআরইউকে সিড মানি দেওয়ার আহ্বান জানাই। এ সহযোগিতা পাওয়া গেলে ডিআরইউ বছরজুড়ে আরও বেশি খেলাধুলার আয়োজন করতে পারবে।
এবারের আসরে ১৫টি ইভেন্টে ডিআরইউর প্রায় তিন শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন। ইভেন্টজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
