বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী ৪ জনকে পেট চিড়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলা হয়
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
জিয়াউল আহসান
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে পেট চিড়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে সাক্ষ্য দিয়েছের মেজর সাব্বির।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির।
তিনি বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড করে র্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায়, এবং তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।
একই কায়দায় আরেক ব্যক্তিতে মেরে নদী ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিতের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।
গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনা প্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর এ মামলায় তদন্তকর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে। বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক মানুষকে গুম করে হত্যার ঘটনায় তিনটি অভিযোগ এনে গত ১৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ২০২৪ সালের আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন।
