শুধু ন্যস্ত হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত করবে এপিবিএন
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, নতুন আইনে এপিবিএনের জন্য তদন্ত পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্বত্য এলাকায় ভৌগোলিক ও বাস্তবতার কারণে যেসব অপরাধের তদন্তে জেলা পুলিশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে এপিবিএন তদন্ত করতে পারবে। আমাদের সশস্ত্র অবস্থানের মধ্য থেকে আমরা সব মামলা তদন্ত করব না। সরকার-আদালত-আইজিপি থেকে যেসব মামলা আমাদের ন্যস্ত করা হয়, আমরা শুধু সেসব মামলার তদন্ত করব। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এপিবিএন ডিআইজি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে জেলা পুলিশকে অনেক ক্ষেত্রে বেগ পোহাতে হয়। সেজন্য সরকারের অনুমতি নিয়ে এপিবিএনের নিরস্ত্র সাব-ইনস্পেক্টরদের তদন্তের কাজে যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন আইনে তদন্ত কার্যক্রমের জন্য আইনগত ভিত্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়া নতুন আইনে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আলাদা সেল গঠনের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে এপিবিএনের ভ‚মিকার বিষয়টিও আইনে স্পষ্ট করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জ উলেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের নিরাপত্তায় এপিবিএনের সদস্য সংখ্যা মাত্র ২২শ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্যাম্প এলাকায় আরও জনবল দেওয়ার পাশাপাশি নতুন একটি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এপিবিএন জানায়, এক মাসে বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে এপিবিএন। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ-নগদ প্রতারণার ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এপিবিএনের আগস্টের মাসিক কার্যক্রমের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে ৪ হাজার ৯২৯ গ্রাম স্বর্ণের বার ও অলংকার উদ্ধার করা হয়। এর আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ টাকা। এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা এবং ২৭ জন গ্রেফতার হয়েছে।
