সাবেক এনবিআর কর্মকর্তা মুনীম-ঈদতাজুলসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম, সাবেক প্রথম সচিব মো. ঈদতাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের ২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, মুনীম, ঈদতাজুলসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অনুসন্ধানে তাদের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি এসব হিসাবে থাকা অর্থ হস্তান্তর বা বেহাতের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দুদক বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য পেয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মো. সাইদুজ্জামান আদালতে এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে সংশ্লিষ্টদের অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে ব্যাংক হিসাবগুলো অবিলম্বে ফ্রিজ করা প্রয়োজন।
আদালতের আদেশে আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীমের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের একাধিক হিসাব রয়েছে। তার স্ত্রী লায়লা জেসমিনের নামেও অগ্রণী ও প্রাইম ব্যাংকের হিসাব রয়েছে।
ঈদতাজুল ইসলামের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক (এমবিপিএলসি) ও সোনালী ব্যাংকের একাধিক হিসাব রয়েছে। এছাড়া শর্মি মালা আনসারীর নামেও মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের একাধিক হিসাব রয়েছে।
দুদকের আবেদনে মোট ২৫টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এসব হিসাবের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের হিসাব রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আরও কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে কমিশনের অনুমোদন নিয়ে সেগুলো ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।
এর আগে মুনীম, ঈদতাজুল ও তাদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০২৫ সালের মে মাসে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত।

