ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে দুই নেতার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে দুই নেতার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু পরে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘকে একটি নিরপেক্ষ জায়গা হিসেবে দেখে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৮০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী কাজ করছেন। চলমান সংঘাত শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে না গেলে এর প্রভাব বাংলাদেশ ও দেশের রেমিট্যান্সে পড়তে পারে। বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য গভীর উদ্বেগের।
হুমায়ুন কবির বলেন, সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের অনেক জাহাজ ও কনটেইনার আটকা পড়েছে। এ পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে যুদ্ধের অবসানের আহ্বান জানানো হয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্টকে।
তিনি বলেন, যুদ্ধের অবসান হলে আটকে থাকা জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে ইরানের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ যাতে না পড়ে, সে বিষয়েও উদ্বেগের কথা ইরানের প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং ইরানের প্রেসিডেন্টসহ কর্মকর্তারা বিষয়গুলো নোট করেছেন বলে জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অংশীদাররাও বাংলাদেশের প্রতি তাদের নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে এ বিষয়ে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ একটি ‘সফট মিডিয়াম’ হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবে। দেশের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখেই ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

