নন-ক্যাডারদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে আসছে নতুন নিয়ম
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে নতুন নিয়ম প্রণয়ন করছে সরকার। প্রস্তাবিত জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালায় নিয়োগের ধরন, যোগদানের তারিখ, বয়স, শিক্ষাবর্ষ ও ফলাফলের ভিত্তিতে পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে।
খসড়া বিধিমালার শুরুতেই বলা হয়েছে, এর বিধান সব নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে। উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরবর্তী সময়ে একই পদ্ধতিতে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় জ্যেষ্ঠতা পাবেন।
উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একই সময়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে কমিটি বা কমিশনের সুপারিশে নিয়োগ দেওয়া হলে তাদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে সংশ্লিষ্ট কমিটি বা কমিশনের প্রস্তুত করা মেধাতালিকার ভিত্তিতে। মেধাতালিকা না থাকলে বা পাওয়া না গেলে বয়সের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।
বয়সও একই হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের শিক্ষাবর্ষ বিবেচনায় নেওয়া হবে। শিক্ষাবর্ষও একই হলে পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সমন্বিত জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম রাখা হয়েছে। পদোন্নতিযোগ্য পদের ফিডার পদে নিয়মিত যোগদানের তারিখের ভিত্তিতে সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। যোগদানের তারিখ একই হলে বয়স, বয়সও একই হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের শিক্ষাবর্ষ বিবেচনায় নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ফিডার পদের মেধাক্রম অনুযায়ীও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
বিভাগীয় পদোন্নতির ক্ষেত্রেও আগে সুপারিশ পাওয়া কর্মকর্তারা পরবর্তী সময়ে সুপারিশ পাওয়া কর্মকর্তাদের তুলনায় জ্যেষ্ঠতা পাবেন। একই ব্যাচের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতির সুপারিশ করা হলে বয়সের ভিত্তিতে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।
খসড়া বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, পদোন্নতিযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে পদোন্নতি দেওয়া যাবে। তবে লিয়েন বা চলতি দায়িত্বের কারণে সৃষ্ট শূন্য পদের বিপরীতে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি) মো. মোস্তফা জামান বলেন, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। খসড়া তৈরি করে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এখনো বিধিমালাটি চূড়ান্ত হয়নি।

