শিক্ষানীতিমালা ও সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিক্ষাখাতের নীতিমালা, পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
মঙ্গলবার বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে সরকারের অগ্রাধিকার, শিক্ষার আধুনিকায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরও কার্যকর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিক শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিন পেসম, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের শিক্ষা ও দক্ষতা বৈশ্বিক প্র্যাকটিসের প্র্যাকটিস ম্যানেজার শেরেজাদ মোনামি লতিফ, বাংলাদেশ ও ভুটানের অপারেশনস ম্যানেজার ড. গেইল এইচ মার্টিন, সিনিয়র শিক্ষা বিশেষজ্ঞ আব্দুল হাই সোফিজাদা, সিনিয়র অর্থনীতিবিদ সৈয়দ রাশেদ আল জায়েদ এবং সিনিয়র শিক্ষা বিশেষজ্ঞ তাসনিনা রহমান।
বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে ‘মিড-ডে মিল’ চালু, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ এবং চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে নতুন দুটি বই সংযোজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শিক্ষাক্রম চালুর বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, আধুনিক পরীক্ষাগার ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের স্নাতকোত্তর এবং ছাত্রদের মাধ্যমিক ও সমমান পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ইকোসিস্টেম ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অফিস স্থাপন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ কর্মসূচি চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বাধ্যতামূলক কারিগরি ল্যাব চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বাস্তবায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
