পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা বাড়াতে হবে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, মর্যাদা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
তিনি বলেছেন, শিক্ষার অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা জরুরি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফ যৌথভাবে ‘ফ্রম দ্য ফিল্ড টু রিফর্ম: অ্যাডভান্সিং প্রাইমারি এডুকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে পাঠদান করতে পারেন। আগামী দুই বছরে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের প্রস্তুতির পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, শিক্ষকস্বল্পতা দূর করা এবং তাঁদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। প্রথম অর্থবছরেই এ খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের দলভিত্তিক আলোচনা ও পারস্পরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে শেখার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, পাঠ্যবিষয়ের ব্যাপ্তির চেয়ে শিখনের গভীরতা ও গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর লক্ষ্যে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ে শিখন-সময়ের বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি সব প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. মোক্তার আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজা কিবরিয়া ও বীথিকা বিনতে হোসাইন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী।
সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
