অনুমোদন পেল আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়
jugantor
অনুমোদন পেল আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৯ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:১১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনুমোদন পেল আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস। রাজধানীর গুলশানে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা হবে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৬। এছাড়া আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। সেটি হচ্ছে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। সনদ বাণিজ্য, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে গতবছরের জুলাইয়ে এটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ঢাকায় আর কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন না দেয়ার ব্যাপারে সরকারের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু পরপর দুটি বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানীতে অনুমোদন দেয়া হলো। সর্বশেষ ২০১৫ সালের আগস্টে রাজধানীর উত্তরায় স্থাপনের জন্য আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়া হয়।

এরও কয়েক মাস আগে একসঙ্গে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছিল। সেগুলো হচ্ছে, ‘রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়’। এটির প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এর ইংরেজি নাম ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ আর্টস’। এটি রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জে স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে।

বরিশালে দেয়া হয়েছে ‘ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ’। এর উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন বরিশালের বেসরকারি ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ইমরান চৌধুরী। অন্যটি অনুমোদন পায় নারায়ণগঞ্জে। সেটির নাম ‘রূপায়ণ একেএম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়’। এটির উদ্যোক্তা হিসেবে লিয়াকত আলী খান মুকুলের নাম রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রলায়ের কর্মকর্তারা জানান, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের ক্ষেত্রে ১৯টি শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে আছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া বিভাগ খোলা যাবে না। বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ছাড়া মেডিকেল, ডেন্টাল বা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কোর্স পরিচালনা করা যাবে না। চ্যান্সেলরের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলোর ওপর ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। নয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. এম জুবায়দুর রহমান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহু আগেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান আবেদন করা হয়েছিল। এরপর নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প প্রস্তাবনা ধরে সরেজমিনে তদন্ত হয়। এরপর থেকে ফাইলটি মন্ত্রণালয়ে পড়ে ছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সুপারিশে এটি শেষ পর্যন্ত অনুমোদন পায়।

অনুমোদন পেল আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৯ জানুয়ারি ২০১৮, ০৯:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ফাইল ছবি

অনুমোদন পেল আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস। রাজধানীর গুলশানে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা হবে। 

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৬। এছাড়া আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। সেটি হচ্ছে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। সনদ বাণিজ্য, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে গতবছরের জুলাইয়ে এটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। 

ঢাকায় আর কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন না দেয়ার ব্যাপারে সরকারের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু পরপর দুটি বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানীতে অনুমোদন দেয়া হলো। সর্বশেষ ২০১৫ সালের আগস্টে রাজধানীর উত্তরায় স্থাপনের জন্য আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়া হয়। 

এরও কয়েক মাস আগে একসঙ্গে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছিল। সেগুলো হচ্ছে, ‘রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়’। এটির  প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এর ইংরেজি নাম ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ আর্টস’। এটি রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জে স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে।

বরিশালে দেয়া হয়েছে ‘ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ’। এর উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন বরিশালের বেসরকারি ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ইমরান চৌধুরী। অন্যটি অনুমোদন পায় নারায়ণগঞ্জে। সেটির নাম ‘রূপায়ণ একেএম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়’। এটির উদ্যোক্তা হিসেবে লিয়াকত আলী খান মুকুলের নাম রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রলায়ের কর্মকর্তারা জানান, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের ক্ষেত্রে ১৯টি শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে আছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া বিভাগ খোলা যাবে না। বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ছাড়া মেডিকেল, ডেন্টাল বা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কোর্স পরিচালনা করা যাবে না। চ্যান্সেলরের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলোর ওপর ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। নয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. এম জুবায়দুর রহমান। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহু আগেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান আবেদন করা হয়েছিল। এরপর নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প প্রস্তাবনা ধরে সরেজমিনে তদন্ত হয়। এরপর থেকে ফাইলটি মন্ত্রণালয়ে পড়ে ছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সুপারিশে এটি শেষ পর্যন্ত অনুমোদন পায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন