বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয়
jugantor
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২৩:৩১:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শুক্রবার নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেবেন তিনি।

সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিএসসি ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ করেন তিনি।

বিএসসি ডিগ্রি নেয়ার পর এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। তার দুই বছর পর হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিচারক হিসেবে কাজ শুরুর আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে (১৯৯৯ সালে) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে উন্নীত হন।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দুইবার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য করা সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইব্যুনালেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

আপিল বিভাগের পাঁচজন বিচারপতির মধ্যে আবদুল ওয়াহহাব মিঞা সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় তার পরেই ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

জ্যেষ্ঠতার ক্রমে এরপরে রয়েছেন বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

এর আগে দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করেন। প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্বপালনের মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বয়সসীমা অনুযায়ী বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার দায়িত্বপালনের সময়সীমা ছিল ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। আর বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সময়সীমা ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয়

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
ফাইল ছবি

দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শুক্রবার নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেবেন তিনি।

সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।  তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিএসসি ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।  এছাড়া লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ করেন তিনি।

বিএসসি ডিগ্রি নেয়ার পর এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। তার দুই বছর পর হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিচারক হিসেবে কাজ শুরুর আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে (১৯৯৯ সালে) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।  এরপর ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে উন্নীত হন।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দুইবার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য করা সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।  এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইব্যুনালেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

আপিল বিভাগের পাঁচজন বিচারপতির মধ্যে আবদুল ওয়াহহাব মিঞা সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ।  জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় তার পরেই ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

জ্যেষ্ঠতার ক্রমে এরপরে রয়েছেন বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

এর আগে দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করেন।  প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্বপালনের মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বয়সসীমা অনুযায়ী বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার দায়িত্বপালনের সময়সীমা ছিল ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।  আর বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সময়সীমা ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর