এরশাদের আসনে উপনির্বাচনে ৭ প্রার্থী বৈধ
jugantor
এরশাদের আসনে উপনির্বাচনে ৭ প্রার্থী বৈধ

  রংপুর ব্যুরো  

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:১৬:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচন

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে ৭ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঋণ খেলাপি ও বিধি অনুযায়ী হলফনামা দাখিল না করাসহ নানা কারণে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন এ তথ্য জানান।

রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ৯ প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির তিনজনসহ ৭ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাকি দুজনের মধ্যে বিএনপির মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি বিদ্রোহী স্বতন্ত্রপ্রার্থী কাওছার জামান বাবলাকে ঋণ খেলাপি ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির একরামুল হকের মনোনয়নে বিধি অনুযায়ী হলফনামা দাখিল না করায় অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম রাজু, জাতীয় পার্টির রাহগির আল মাহি সাদ, বিএনপির রিটা রহমান, স্বতন্ত্র হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডলের বৈধতা রয়েছে।

এদিকে অবৈধ হওয়া প্রার্থীরা আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। এরপর ৫ অক্টোবর ভোটগ্রহণ হবে বলে জানান তিনি।

রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং ২ লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন নারী ভোটার।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছিলেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট। এবারও ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এরশাদের আসনে উপনির্বাচনে ৭ প্রার্থী বৈধ

 রংপুর ব্যুরো 
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নির্বাচন
নির্বাচন। ছবি: যুগান্তর

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে ৭ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

ঋণ খেলাপি ও বিধি অনুযায়ী হলফনামা দাখিল না করাসহ নানা কারণে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন এ তথ্য জানান। 

রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ৯ প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির তিনজনসহ ৭ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

বাকি দুজনের মধ্যে বিএনপির মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি বিদ্রোহী স্বতন্ত্রপ্রার্থী কাওছার জামান বাবলাকে ঋণ খেলাপি ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির একরামুল হকের মনোনয়নে বিধি অনুযায়ী হলফনামা দাখিল না করায় অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম রাজু, জাতীয় পার্টির রাহগির আল মাহি সাদ, বিএনপির রিটা রহমান, স্বতন্ত্র হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডলের বৈধতা রয়েছে।

এদিকে অবৈধ হওয়া প্রার্থীরা আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। এরপর ৫ অক্টোবর ভোটগ্রহণ হবে বলে জানান তিনি।

রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং ২ লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন নারী ভোটার। 

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছিলেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট। এবারও ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।