তাদের নাম বললে আমার আর ঢাকায় আসা হবে না: আবদুল গাফফার চৌধুরী
jugantor
তাদের নাম বললে আমার আর ঢাকায় আসা হবে না: আবদুল গাফফার চৌধুরী

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:১৬:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশেও অনেক রাজাকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী। 

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এখনো রাজাকার আছে। অনেক রাজাকার আছে। এমনকি আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার আশপাশেও আছে। তাদের নাম বললে আমার আর ঢাকায় আসা হবে না। তাই আমি নাম বলতে চাই না।

প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে সংগঠনটির ওই অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানও উপস্থিত ছিলেন। 

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আসার পর আবদুল গাফফার চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রেস ক্লাব সভাপতি ও যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমের নেতৃত্বাধীন বিশিষ্টজনরা। ছবি: যুগান্তর

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, রাজাকারদের তালিকা করলে দেখা যাবে, রাজাকাররাই সেই তালিকা তৈরি করছে। ওই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার, রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের ভেতরে জামায়াতের লোকও আছে মন্তব্য করে বর্ষীয়ান এ সাংবাদিক আরও বলেন, আওয়ামী লীগে কত রাজাকার আছে। বিপদের সময় এরা ভয়ানকভাবে আসে। রাজাকারদের লিস্ট করার আগে এই রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা উচিত। আওয়ামী লীগের ভেতরে জামায়াতের লোক ঢুকে গেছে। তারা এখন বঙ্গবন্ধুর নাম বেশি বলে।  

বাকশাল থাকলে ভালো হতো’ উল্লেখ করে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, বাকশালের সময় আওয়ামী লীগ দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, বাকশাল গঠনের তিন মাসের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো। তাই বাকশাল ভালো-মন্দ যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না। আমার ধারণা, বাকশাল থাকলে আজকের বাংলাদেশের দুর্নীতি, সন্ত্রাস এত ব্যাপক হতো না। 

অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান রাজাকারকে শহীদ বলায় সংগ্রাম পত্রিকার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন। 

তাদের নাম বললে আমার আর ঢাকায় আসা হবে না: আবদুল গাফফার চৌধুরী

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশেও অনেক রাজাকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভাষাসৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সম্প্রীতি, বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এখনো রাজাকার আছে। অনেক রাজাকার আছে। এমনকি আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার আশপাশেও আছে। তাদের নাম বললে আমার আর ঢাকায় আসা হবে না। তাই আমি নাম বলতে চাই না।

প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে সংগঠনটির ওই অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানও উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আসার পর আবদুল গাফফার চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রেস ক্লাব সভাপতি ও যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমের নেতৃত্বাধীন বিশিষ্টজনরা। ছবি: যুগান্তর

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, রাজাকারদের তালিকা করলে দেখা যাবে, রাজাকাররাই সেই তালিকা তৈরি করছে। ওই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার, রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের ভেতরে জামায়াতের লোকও আছে মন্তব্য করে বর্ষীয়ান এ সাংবাদিক আরও বলেন, আওয়ামী লীগে কত রাজাকার আছে। বিপদের সময় এরা ভয়ানকভাবে আসে। রাজাকারদের লিস্ট করার আগে এই রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা উচিত। আওয়ামী লীগের ভেতরে জামায়াতের লোক ঢুকে গেছে। তারা এখন বঙ্গবন্ধুর নাম বেশি বলে।

বাকশাল থাকলে ভালো হতো’ উল্লেখ করে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, বাকশালের সময় আওয়ামী লীগ দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, বাকশাল গঠনের তিন মাসের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো। তাই বাকশাল ভালো-মন্দ যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না। আমার ধারণা, বাকশাল থাকলে আজকের বাংলাদেশের দুর্নীতি, সন্ত্রাস এত ব্যাপক হতো না।

অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান রাজাকারকে শহীদ বলায় সংগ্রাম পত্রিকার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।