যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য: তথ্যমন্ত্রী
jugantor
যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য: তথ্যমন্ত্রী

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৩ মার্চ ২০২০, ২২:০২:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ১১ মার্চ বাংলাদেশের ওপর যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তা একপেশে ও অগ্রহণযোগ্য। প্রকৃতপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই মানবাধিকারের কি পরিস্থিতি সেটিও বিশ্ববাসীর জানার প্রয়োজন ও অধিকার রয়েছে।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় শুক্রবার বিকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যাদের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, সেই সংগঠনগুলো আগেই বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। তারা ইতিপূর্বেও বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর একপেশে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাদেরই তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এটি অগ্রহণযোগ্য।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, আবুল কাশেম চিশতি, মুহাম্মাদ আলী শাহ, ইদ্রিছ আজগর, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, আসলাম খান, আক্তার কামাল চৌধুরী, ডা. মোহাম্মদ সেলিম, লোকমানুল হক তালুকদার প্রমুখ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য বাংলাদেশের মানুষ সোচ্চার। সেই কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে, রায়ও কার্যকর করেছে এবং বিচার কার্যক্রম চলছে। অথচ এরকম সর্বগ্রহণযোগ্য বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রশ্ন তুলেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ বছরের প্রথমদিন নানাভাবে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে প্রতিবছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ হতাহত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিনা ওয়ারেন্টে অনেককে গ্রেফতার করে। তাদের দেশে যেই পরিস্থিতি সেটিও বিশ্ববাসীর জানার অধিকার রয়েছে এবং জানা প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নানা সময় এ ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের রিপোর্টে মোটিভেটেড রিপোর্ট থাকে। এবারও যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এটি একপেশে এবং অগ্রহণযোগ্য। আমরা কোনোভাবেই এই রিপোর্টকে গ্রহণ করতে পারি না।

ইদানীং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একপেশে রিপোর্ট দেখতে পাচ্ছেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার, বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও আমরা এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আমাদের এই কার্র্যক্রম আরও দৃঢ় করতে চাই।

যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য: তথ্যমন্ত্রী

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৩ মার্চ ২০২০, ১০:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য: তথ্যমন্ত্রী
সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: যুগান্তর

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ১১ মার্চ বাংলাদেশের ওপর যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তা একপেশে ও অগ্রহণযোগ্য। প্রকৃতপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই মানবাধিকারের কি পরিস্থিতি সেটিও বিশ্ববাসীর জানার প্রয়োজন ও অধিকার রয়েছে। 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় শুক্রবার বিকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যাদের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, সেই সংগঠনগুলো আগেই বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। তারা ইতিপূর্বেও বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর একপেশে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাদেরই তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এটি অগ্রহণযোগ্য। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, আবুল কাশেম চিশতি, মুহাম্মাদ আলী শাহ, ইদ্রিছ আজগর, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, আসলাম খান, আক্তার কামাল চৌধুরী, ডা. মোহাম্মদ সেলিম, লোকমানুল হক তালুকদার প্রমুখ। 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য বাংলাদেশের মানুষ সোচ্চার। সেই কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে, রায়ও কার্যকর করেছে এবং বিচার কার্যক্রম চলছে। অথচ এরকম সর্বগ্রহণযোগ্য বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রশ্ন তুলেছে। 

মন্ত্রী আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ বছরের প্রথমদিন নানাভাবে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে প্রতিবছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ হতাহত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিনা ওয়ারেন্টে অনেককে গ্রেফতার করে। তাদের দেশে যেই পরিস্থিতি সেটিও বিশ্ববাসীর জানার অধিকার রয়েছে এবং জানা প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নানা সময় এ ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের রিপোর্টে মোটিভেটেড রিপোর্ট থাকে। এবারও যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এটি একপেশে এবং অগ্রহণযোগ্য। আমরা কোনোভাবেই এই রিপোর্টকে গ্রহণ করতে পারি না। 

ইদানীং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একপেশে রিপোর্ট দেখতে পাচ্ছেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার, বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও আমরা এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আমাদের এই কার্র্যক্রম আরও দৃঢ় করতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন