কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: চার্জ গঠন ২৬ আগস্ট
jugantor
কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: চার্জ গঠন ২৬ আগস্ট

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:০৫:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: চার্জ গঠন ২৬ আগস্ট

রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতাল এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার মজনুর বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। আগামী ২৬ আগস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ঠিক করা হয়েছে।


রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এই আদেশ দেন।


এর আগে ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনার মামলায় মজনুর বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার অভিযোগপত্রে ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনসহ মামলার আলামত হিসেবে ২০ ধরনের জিনিসপত্র জব্দ দেখানো হয়েছে।


পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে গলফ ক্লাবসংলগ্ন স্থানে পৌঁছান। এ সময় আসামি মজনু তাকে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। পরে র্যা ব-১ অভিযান চালিয়ে মজনুকে গ্রেফতার করে।


গ্রেফতারের পর রিমান্ডে মজনু ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করে। পরে ১৬ জানুয়ারি আদালতে সে এ বিষয়ে জবানবন্দিও দেয়। পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে, আসামি মজনু একজন অভ্যাসগত ধর্ষক (সিরিয়াল রেপিস্ট)। প্রতিবন্ধী ও ভ্রাম্যমাণ নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল সে।

কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: চার্জ গঠন ২৬ আগস্ট

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: চার্জ গঠন ২৬ আগস্ট
এই স্থানে ঢাবির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতাল এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার মজনুর বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। আগামী ২৬ আগস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ঠিক করা হয়েছে।


রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এই আদেশ দেন।


এর আগে ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনার মামলায় মজনুর বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার অভিযোগপত্রে ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনসহ মামলার আলামত হিসেবে ২০ ধরনের জিনিসপত্র জব্দ দেখানো হয়েছে।


পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে গলফ ক্লাবসংলগ্ন স্থানে পৌঁছান। এ সময় আসামি মজনু তাকে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। পরে র্যা ব-১ অভিযান চালিয়ে মজনুকে গ্রেফতার করে।


গ্রেফতারের পর রিমান্ডে মজনু ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করে। পরে ১৬ জানুয়ারি আদালতে সে এ বিষয়ে জবানবন্দিও দেয়। পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে, আসামি মজনু একজন অভ্যাসগত ধর্ষক (সিরিয়াল রেপিস্ট)। প্রতিবন্ধী ও ভ্রাম্যমাণ নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল সে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ

আরও খবর