এমসি কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি
jugantor
এমসি কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:২২:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

এমসি কলেজ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায়তদন্ত কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তিন সদস্যেরর ওই কমিটি গঠন করে সোমবার আদেশ জারি করেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

মাউশির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালককে (কলেজ) সদস্য এবং মাউশির সহকারী পরিচালককে (কলেজ-১) সদস্য সচিব করা হয়েছে ওই কমিটিতে।

আদেশে বলা হয়েছে, ‘এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সংঘটিত ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না তা সরেজমিন তদন্ত করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দায় দায়িত্ব নিরুপণ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।’

কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক নারী। ছাত্রলীগের নয়জন কর্মী ওই নারীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ রাতে ওই নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে গত শনিবার শাহপরান থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

অন্য আসামিরা হলেন- এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন লস্কর ও বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকেও আসামি করা হয়েছে।

আদালতের আদেশে গ্রেফতারকৃতদের ৫ দিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

এই মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিসহ এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এমসি কলেজর দুই দারোয়ানকে সাময়িক বরখাস্ত করে কলেজ কর্তৃপক্ষও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এমসি কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এমসি কলেজ
এমসি কলেজ ছাত্রাবাস। ফাইল ছবি

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তিন সদস্যেরর ওই কমিটি গঠন করে সোমবার আদেশ জারি করেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

মাউশির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালককে (কলেজ) সদস্য এবং মাউশির সহকারী পরিচালককে (কলেজ-১) সদস্য সচিব করা হয়েছে ওই কমিটিতে।

আদেশে বলা হয়েছে, ‘এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সংঘটিত ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না তা সরেজমিন তদন্ত করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দায় দায়িত্ব নিরুপণ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।’

কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক নারী। ছাত্রলীগের নয়জন কর্মী ওই নারীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ রাতে ওই নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে গত শনিবার শাহপরান থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

অন্য আসামিরা হলেন- এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন লস্কর ও বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকেও আসামি করা হয়েছে।

আদালতের আদেশে গ্রেফতারকৃতদের ৫ দিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।  

এই মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিসহ এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এমসি কলেজর দুই দারোয়ানকে সাময়িক বরখাস্ত করে কলেজ কর্তৃপক্ষও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিলেট এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণ