দেশের প্রথম নৌপ্রধান নুরুল হক আর নেই
jugantor
দেশের প্রথম নৌপ্রধান নুরুল হক আর নেই

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১১:০০:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম নৌপ্রধান সাবেক নৌমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন নুরুল হক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নুরুল হক দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।

নুরুল হকের মৃত্যুতে নৌবাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মঙ্গলবার জোহরের পর নৌ সদর দফতর মসজিদে নুরুল হকের জানাজা হবে। পরে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৯৩৬ সালের ১২ জানুয়ারি ঢাকার জন্মগ্রহণ করেন নুরুল হক। ১৯৫৩ সালের ১ মে তিনি ক্যাডেট হিসেবে পাকিস্তানের কোয়েটায় প্রি-ক্যাডেট ট্রেইনিং স্কুলে যোগ দেন। পরে ওই বছর অক্টোবরে যোগ দেন পাকিস্তান নেভি ক্যাডেট ট্রেইনিং স্কুলে।

যুক্তরাজ্যের ব্রিটানিয়া রয়্যাল নেভাল কলেজে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি তিনি ব্রিটেন থেকে কমিশন পান।

ব্রিটেনের রয়্যাল নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ১৯৫৮ সালে বেসিক ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এবং ১৯৬১ সালে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং স্পেশালাইজেশন কোর্স শেষ করেন নুরুল হক।

চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন জাহাজ ও ঘাঁটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনকার পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার অফিসার, ডেস্ট্রয়ার জাহাজে ইঞ্জিনিয়ার অফিসার, ঘাঁটির ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এবং ট্রেইনিং স্কুলে স্টাফ অফিসার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

আইএসপিআর জানায়, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন নুরুল হক। ১৯৭৩ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন।

এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান এবং পরে বাংলাদেশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

দেশের প্রথম নৌপ্রধান নুরুল হক আর নেই

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১১:০০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম নৌপ্রধান সাবেক নৌমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন নুরুল হক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নুরুল হক দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। 

নুরুল হকের মৃত্যুতে নৌবাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মঙ্গলবার জোহরের পর নৌ সদর দফতর মসজিদে নুরুল হকের জানাজা হবে। পরে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৯৩৬ সালের ১২ জানুয়ারি ঢাকার জন্মগ্রহণ করেন নুরুল হক। ১৯৫৩ সালের ১ মে তিনি ক্যাডেট হিসেবে পাকিস্তানের কোয়েটায় প্রি-ক্যাডেট ট্রেইনিং স্কুলে যোগ দেন। পরে ওই বছর অক্টোবরে যোগ দেন পাকিস্তান নেভি ক্যাডেট ট্রেইনিং স্কুলে।

যুক্তরাজ্যের ব্রিটানিয়া রয়্যাল নেভাল কলেজে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি তিনি ব্রিটেন থেকে কমিশন পান।

ব্রিটেনের রয়্যাল নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ১৯৫৮ সালে বেসিক ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এবং ১৯৬১ সালে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং স্পেশালাইজেশন কোর্স শেষ করেন নুরুল হক।

চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন জাহাজ ও ঘাঁটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনকার পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার অফিসার, ডেস্ট্রয়ার জাহাজে ইঞ্জিনিয়ার অফিসার, ঘাঁটির ইঞ্জিনিয়ার অফিসার এবং ট্রেইনিং স্কুলে স্টাফ অফিসার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

আইএসপিআর জানায়, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন নুরুল হক। ১৯৭৩ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন।

এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান এবং পরে বাংলাদেশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন