মিত্র বাহিনীর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিস্থাপনের পরিকল্পনা সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনেই
jugantor
মিত্র বাহিনীর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিস্থাপনের পরিকল্পনা সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনেই

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মার্চ ২০২১, ২০:৪৫:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মিত্র বাহিনীর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিস্থাপনের পরিকল্পনা সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনেই

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যেই ভারতীয় শহীদ সেনাদের স্মরণে আশুগঞ্জে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন যৌথভাবে এ ভিত্তিফলক উন্মোচন করতে পারেন, সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দশ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের একটা প্রকল্প আছে, বাংলাদেশের মিত্র বাহিনীর যে সদস্যরা এ দেশে জীবন দিয়েছেন, তাদের স্মরণে একটা স্মৃতিস্তম্ভ করা। এই প্রকল্প ইতোমধ্যে পাস হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, সেটা হতে পারে যে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য আমরা যৌথভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানাতে পারি। এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে সম্ভাবনা আছে।

মিত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য ২০১৭ সালেই একনেকে ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প পাস হয়।

কিন্তু জমি পেতে দেরি হওয়ায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়। জমি পাওয়ার পর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ বাড়িয়ে প্রকল্প সংশোধন করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর যারা এদেশে জীবন দিয়েছেন মিত্র বাহিনীর সদস্য হিসেবে, ইতোমধ্যে তাদের সম্মাননায় প্রধানমন্ত্রী কয়েক বছর আগে ভারত সফর করে নিজ হাতে টোকেন হিসেবে কিছু দিয়েছেন। বাকিগুলো আর দেওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এরপর করোনাভাইরাসের কারণে এক বছর ধরে এসব সম্মাননা আমাদের কাছে জমা পড়ে আছে। আমাদের মিশনের মাধ্যমে সেগুলো দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা আছে। বৈশ্বিক অবস্থা ঠিক হলে সেগুলো দেওয়া হবে।

মিত্র বাহিনীর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিস্থাপনের পরিকল্পনা সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনেই

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মার্চ ২০২১, ০৮:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মিত্র বাহিনীর শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিস্থাপনের পরিকল্পনা সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনেই
ফাইল ছবি

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যেই ভারতীয় শহীদ সেনাদের স্মরণে আশুগঞ্জে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন যৌথভাবে এ ভিত্তিফলক উন্মোচন করতে পারেন, সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দশ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের একটা প্রকল্প আছে, বাংলাদেশের মিত্র বাহিনীর যে সদস্যরা এ দেশে জীবন দিয়েছেন, তাদের স্মরণে একটা স্মৃতিস্তম্ভ করা। এই প্রকল্প ইতোমধ্যে পাস হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, সেটা হতে পারে যে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য আমরা যৌথভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানাতে পারি। এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে সম্ভাবনা আছে।

মিত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য ২০১৭ সালেই একনেকে ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প পাস হয়। 

কিন্তু জমি পেতে দেরি হওয়ায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়। জমি পাওয়ার পর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ বাড়িয়ে প্রকল্প সংশোধন করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর যারা এদেশে জীবন দিয়েছেন মিত্র বাহিনীর সদস্য হিসেবে, ইতোমধ্যে তাদের সম্মাননায় প্রধানমন্ত্রী কয়েক বছর আগে ভারত সফর করে নিজ হাতে টোকেন হিসেবে কিছু দিয়েছেন। বাকিগুলো আর দেওয়া যায়নি। 

তিনি বলেন, এরপর করোনাভাইরাসের কারণে এক বছর ধরে এসব সম্মাননা আমাদের কাছে জমা পড়ে আছে। আমাদের মিশনের মাধ্যমে সেগুলো দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা আছে। বৈশ্বিক অবস্থা ঠিক হলে সেগুলো দেওয়া হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন