ঈদের পরও থাকছে ‘কঠোর লকডাউন’
jugantor
ঈদের পরও থাকছে ‘কঠোর লকডাউন’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ মে ২০২১, ২০:৫৯:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট দেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকায় চলমান লকডাউন ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ ঈদের পর আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।তবে সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ঈদের পরও চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকবে এ বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে আর এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর।কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। সংক্রমণ এড়াতে এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরলেই নিরাপদ, আর না পরলে বিপদ- এই কথাটি মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনা সংক্রমণ ও করোনায় মৃত্যুহার কিছুটা নিম্নগামী হলেও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছে সরকার। এ কারণেই চলমান ‘লকডাউন’ঈদের পরও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নাম না প্রকাশে কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে আরও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

তারা আরও জানিয়েছেন, যেভাবে মাখামাখি করে স্বাস্থ্যবিধির চূড়ান্ত লঙ্ঘন করে মানুষজন রাজধানী ছেড়েছেন, তারা আবারও ঈদের পর একইভাবে রাজধানীতে ফিরবেন। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারন রতে পারে। তাই ঈদের পরে একই শর্তে আরও ১০ দিনের জন্য চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। যারা রাজধানী ছেড়ে গ্রামে গেছেন, এতে যদি তাদের অর্ধেক পরিমাণ মানুষও আটকে রাখা যায় তাহলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাওয়া যাবে।

ঈদের পরও থাকছে ‘কঠোর লকডাউন’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ মে ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লকডাউন
ফাইল ছবি

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট দেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকায় চলমান লকডাউন ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ ঈদের পর আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।তবে সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ঈদের পরও চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকবে এ বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে আর এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর।কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। সংক্রমণ এড়াতে এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরলেই নিরাপদ, আর না পরলে বিপদ- এই কথাটি মাথায় রাখতে হবে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনা সংক্রমণ ও করোনায় মৃত্যুহার কিছুটা নিম্নগামী হলেও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছে সরকার। এ কারণেই চলমান ‘লকডাউন’ঈদের পরও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। 

এদিকে নাম না প্রকাশে কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে আরও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

তারা আরও জানিয়েছেন, যেভাবে মাখামাখি করে স্বাস্থ্যবিধির চূড়ান্ত লঙ্ঘন করে মানুষজন রাজধানী ছেড়েছেন, তারা আবারও ঈদের পর একইভাবে রাজধানীতে ফিরবেন। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারন রতে পারে। তাই ঈদের পরে একই শর্তে আরও ১০ দিনের জন্য চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। যারা রাজধানী ছেড়ে গ্রামে গেছেন, এতে যদি তাদের অর্ধেক পরিমাণ মানুষও আটকে রাখা যায় তাহলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাওয়া যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন