পেঁয়াজ-তেল-চিনির দাম কমাতে শুল্ক স্থগিতের উদ্যোগ
jugantor
পেঁয়াজ-তেল-চিনির দাম কমাতে শুল্ক স্থগিতের উদ্যোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৫১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

তেল, পেঁয়াজ ও চিনি

বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেঁয়াজ, চিনি ও ভোজ্যতেলের সব ধরনের আমদানি শুল্ক আপাতত স্থগিত রাখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আয়োজিত সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এক মাস ধরে বাড়তি দাম থাকার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলতে পারে। তারপরেও আমরা বিভিন্ন রকম শুল্ক প্রত্যাহার করার জন্য এনবিআরকে চিঠি দিয়েছি।

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, চিনি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক এবং অগ্রিম শুল্ক রয়েছে। দুটোই প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

ভোজ্য তেল আমদানিতে ভ্যাট ও অগ্রিম শুল্ক রয়েছে, এক্ষেত্রে অগ্রিম শুল্ক প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

সচিব জানান, পেঁয়াজের শুল্ক চার মাসের জন্য প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। বাকিগুলোর ক্ষেত্রে সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি বলেন, গত বছর চার মাসের জন্য শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এনবিআরের কর্মকর্তাদের ইতিবাচক মনে হয়েছে। আশা করছি এবারও তিন মাসের জন্য শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে।

নভেম্বরের শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ (মুড়িকাটা) আসবে উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব বলেন, পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজের মজুত আছে। এই পেঁয়াজ দিয়ে আগামী তিন মাস চলে যাওয়ার কথা। এর বাইরে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে নতুন পেঁয়াজ আসবে। এর আগের একটি মাস হয়তো পেঁয়াজের মূল্য বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

আইনের ক্ষমতা বলে চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব বলেন, তেলের বাজার স্বাভাবিক আছে। তবে চিনির দাম যেহেতু ৪-৫ টাকা কমিয়ে আনা হয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন।

পেঁয়াজ-তেল-চিনির দাম কমাতে শুল্ক স্থগিতের উদ্যোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তেল, পেঁয়াজ ও চিনি
ছবি: সংগৃহীত

বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেঁয়াজ, চিনি ও ভোজ্যতেলের সব ধরনের আমদানি শুল্ক আপাতত স্থগিত রাখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আয়োজিত সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন,  আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এক মাস ধরে বাড়তি দাম থাকার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলতে পারে। তারপরেও আমরা বিভিন্ন রকম শুল্ক প্রত্যাহার করার জন্য এনবিআরকে চিঠি দিয়েছি।

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, চিনি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক এবং অগ্রিম শুল্ক রয়েছে। দুটোই প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

ভোজ্য তেল আমদানিতে ভ্যাট ও অগ্রিম শুল্ক রয়েছে, এক্ষেত্রে অগ্রিম শুল্ক প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

সচিব জানান, পেঁয়াজের শুল্ক চার মাসের জন্য প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। বাকিগুলোর ক্ষেত্রে সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি বলেন, গত বছর চার মাসের জন্য শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এনবিআরের কর্মকর্তাদের ইতিবাচক মনে হয়েছে। আশা করছি এবারও তিন মাসের জন্য শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে।

নভেম্বরের শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ (মুড়িকাটা) আসবে উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব বলেন, পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজের মজুত আছে। এই পেঁয়াজ দিয়ে আগামী তিন মাস চলে যাওয়ার কথা। এর বাইরে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে নতুন পেঁয়াজ আসবে। এর আগের একটি মাস হয়তো পেঁয়াজের মূল্য বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

আইনের ক্ষমতা বলে চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব বলেন, তেলের বাজার স্বাভাবিক আছে। তবে চিনির দাম যেহেতু ৪-৫ টাকা কমিয়ে আনা হয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন