করোনাকালে মেধাবী সাংবাদিকদের প্রয়াণ মিডিয়ায় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে
jugantor
স্মরণসভায় বক্তরা
করোনাকালে মেধাবী সাংবাদিকদের প্রয়াণ মিডিয়ায় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ২২:২৫:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে আমরা অনেক মেধাবী সাংবাদিক হারিয়েছি। তাদের মৃত্যু মিডিয়ায় এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। এই শূন্যতা সহজেই পূরণ হওয়ার নয়। করোনাকালে প্রয়াত ১৭ সাংবাদিকের স্মরণে মঙ্গলবার সাব-এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তরা এ কথা বলেন।

সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দ্বীপ আজাদ, আরেক অংশের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ঢাকা-সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি কায়কোবাদ মিলন, শাহ মুহাম্মদ মুতাসিম বিল­াহ, আল-মামুন, কেএম শহীদুল হক, যুগান্তরের বার্তা সম্পাদক হোসেন শহীদ মজনু, সিনিয়র সাংবাদিক তরুণ তপন চক্রবর্তী, খোন্দকার জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয়।

বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের জীবন সব সময়ই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যায়। করোনাকালে যারা মারা গেছেন তাদের পরিবার ও এ সময় যেসব সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন তাদের পরিবার অনেকে কষ্টে আছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর উচিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো। সভায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার দাবি জানান কয়েকজন বক্তা।
করোনাকালে প্রয়াত ১৭ সদস্য হলেন রফিকুল হক দাদুভাই, মাশুক চৌধুরী, হুমায়ুন সাদেক চৌধুরী, ফজলুর রহমান ফিউরি, আলী হাসান, গোলাপ মুনীর, রুহুল কুদ্দুস মনি, রফিকুল আলম, আহসান হামিদ, আহমেদ আখতার, সৈয়দ আহমদ হোসেন, কাজী শামসুল হুদা, অলি হাওলাদার, হিলালী ওয়াদুদ চৌধুরী, শওকত রেজা, আ হ ম ফয়সল, মাহমুদুল হাকিম অপু।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য আবদুল ওয়াদুদ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সজ্ঞক্সাদক জাওহার ইকবাল খান।

স্মরণসভায় বক্তরা

করোনাকালে মেধাবী সাংবাদিকদের প্রয়াণ মিডিয়ায় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে আমরা অনেক মেধাবী সাংবাদিক হারিয়েছি। তাদের মৃত্যু মিডিয়ায় এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। এই শূন্যতা সহজেই পূরণ হওয়ার নয়। করোনাকালে প্রয়াত ১৭ সাংবাদিকের স্মরণে মঙ্গলবার সাব-এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তরা এ কথা বলেন।

সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দ্বীপ আজাদ, আরেক অংশের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ঢাকা-সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি কায়কোবাদ মিলন, শাহ মুহাম্মদ মুতাসিম বিল­াহ, আল-মামুন, কেএম শহীদুল হক, যুগান্তরের বার্তা সম্পাদক হোসেন শহীদ মজনু, সিনিয়র সাংবাদিক তরুণ তপন চক্রবর্তী, খোন্দকার জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয়।

বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের জীবন সব সময়ই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যায়। করোনাকালে যারা মারা গেছেন তাদের পরিবার ও এ সময় যেসব সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছেন তাদের পরিবার অনেকে কষ্টে আছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলোর উচিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো। সভায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার  দাবি জানান কয়েকজন বক্তা।
করোনাকালে প্রয়াত ১৭ সদস্য হলেন রফিকুল হক দাদুভাই, মাশুক চৌধুরী, হুমায়ুন সাদেক চৌধুরী, ফজলুর রহমান ফিউরি, আলী হাসান, গোলাপ মুনীর, রুহুল কুদ্দুস মনি, রফিকুল আলম, আহসান হামিদ, আহমেদ আখতার, সৈয়দ আহমদ হোসেন, কাজী শামসুল হুদা, অলি হাওলাদার, হিলালী ওয়াদুদ চৌধুরী, শওকত রেজা, আ হ ম ফয়সল, মাহমুদুল হাকিম অপু।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য আবদুল ওয়াদুদ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সজ্ঞক্সাদক জাওহার ইকবাল খান।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন