Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

গুলশানে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৫

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৫, ১১:০০ পিএম

গুলশানে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৫

Advertisement

সমন্বয়ক পরিচয়ে রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এক এমপির বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করে গুলশান থানায় নেওয়া হয়। রাত ১০টা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আটকরা হলেন—মো. সিয়াম, সাদমান সাদাব, মো. আমিনুল ইসলাম, ইব্রাহীম হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও  বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সদস্য। এছাড়া অন্যরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। 

গুলশান থানার ওসি হাফিজুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপির শাম্মী আহমেদের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। ১০ লাখ টাকা আগে নিয়েছিলেন। শনিবার বাকি টাকা নিতে শাম্মি আহমেদের বাসায় গেলে পুলিশকে খবর দেয়। আমরা ওই বাসা থেকে পাঁচজনকে আটক করি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

ডিএমপির গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার ওসি আলী আহমেদ মাসুদ যুগান্তরকে বলেন, আটকদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছে—‘চার থেকে পাঁচদিন আগে আওয়ামী লীগ নেত্রী সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদকে ধরতে গুলশানের বাসায় যায় তারা। তখন শাম্মীর স্বামী তাদের অফার করে বলে তোমরা আমার ছেলের মত। আমি তোমাদের কিছু এন্টারটেইনমেন্ট করি, আমার বউকে নিয়ে যেও না। ওই সময় রিয়াদকে পাঁচ লাখ টাকা দেয় শাম্মীর স্বামী।’

ওসি বলেন, রিয়াদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই পাঁচ লাখ টাকা নেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। এ টাকা দিয়ে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ মেটায় এবং একটি মোটরসাইকেল ক্রয় করে। বাকি টাকা নিতে শনিবার ওই বাসায় যায় তারা। 

সূত্র বলছে, গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে সংরক্ষিত মহিলা- আসনের সাবেক এক এমপি শাম্মির বাসা। এর আগে ১৭ জুলাই সকালে সমন্বয়ক পরিচয়ে ওই বাসয় গিয়ে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে রিয়াদ। টাকা না দিলে ফ্যাসিস্টের দোসর বলে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখায়। তখন তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে আসে। পরে ফের শনিবার চাঁদার জন্য গেলে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। 

এদিকে চাঁদার টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ১৭ জুলাই সকাল ১০টার দিকে একটি বাসার গেস্ট রুম থেকে টাকা বুঝে নিচ্ছে দুই যুবক। গুলশান থানা পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভিডিওটি গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডের শাম্মির বাসার।

Advertisement

গুলশান

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম