Logo
Logo
×

Advertisement

আইন-বিচার

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৪, ০৫:১৪ পিএম

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থা

Advertisement

সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়িটি ৩ মাসের মধ্যে ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, সেই রায়ের ওপর ৮ সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন চেম্বার আদালত। 

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে সালাম মুর্শেদীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

ফলে সালাম মুর্শেদীর বাড়ি এখন যে অবস্থাতে আছে সেই অবস্থাতে থাকবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

আদালতে সালাম মুর্শেদীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

এর আগে গত ১৯ মার্চ আব্দুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি ৩ মাসের মধ্যে ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সালাম মুর্শেদীকে গুলশানের বাড়ি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। সেই সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে বাড়িটি বুঝে পাওয়ার পর আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে রায়ে। 

আদালত রায়ে বলেন, দুদকসহ অন্যান্য সংস্থার তদন্ত রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে সালাম মুর্শেদী গুলশানের যে বাড়িতে বসবাস করছেন সেটা সরকারের পরিত্যক্ত সম্পত্তি।

প্রসঙ্গত, সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশান-২ এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়িটি ‘পরিত্যক্ত সম্পত্তি’ দাবি করে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর সেই আবেদনে দুদক, রাজউক ও গণপূর্ত বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের সেখানে বিবাদী করা হয়।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর রুল জারি করে হাইকোর্টের এই বেঞ্চ। সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় সেখানে। একইসঙ্গে এ সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে রাজউক, গণপূর্ত বিভাগ ও সালাম মুর্শেদীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর বাড়িটি সম্পর্কিত কাগজপত্র হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। এরপর ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি বাড়িটি নিয়ে রাজউকের প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করে বলা হয়, বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় নেই। ওই বাড়ির নকশাও (মূল লে আউট প্ল্যান) আদালতে জমা দেয় রাজউক।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রিটের পক্ষে শুনানিতে অ্যাডভোকেট অনীক আর হক ও সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছিলেন, হাইকোর্টে রাজউক ও দুদকের দাখিল করা প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে, গুলশানে সালাম মুর্শেদী যে বাড়িতে বাস করছেন সেটা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। এই বাড়িতে তিনি এখন এক মুহূর্তও থাকতে পারেন না। এরপর গত ৩ মার্চ মামলার শুনানি শেষ হয়।

Advertisement

সালাম মুর্শেদী গুলশান বাড়ি হাইকোর্ট রায় স্থিতাবস্থা

Advertisement

আরও পড়ুন

জমির মালিকানা দাবিতে প্রমাণ না থাকলে মিলবে না অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: হাইকোর্ট

জমির মালিকানা দাবিতে প্রমাণ না থাকলে মিলবে না অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: হাইকোর্ট

হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালা ৪ দিনের রিমান্ডে

হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালা ৪ দিনের রিমান্ডে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন স্থগিত রাখার বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন স্থগিত রাখার বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট

মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা-লুটপাট: ‘শ্যুটার’ লেলিন ২ দিনের রিমান্ডে

মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা-লুটপাট: ‘শ্যুটার’ লেলিন ২ দিনের রিমান্ডে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম