Logo
Logo
×

Advertisement

অন্যান্য

৩ বিশ্ব রেকর্ড করল পদ্মা সেতু

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:২৮ পিএম

৩ বিশ্ব রেকর্ড করল পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানো হয় বৃহস্পতিবার। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

এক সময়ের স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন দৃষ্টিসীমায় দিগন্তজুড়ে দাঁড়িয়ে।  পদ্মার তীরে গেলেই দেখা যায় পিলারের দীর্ঘ সারি। তার উপর একে একে বসানো ইস্পাতের ৪১টি স্প্যান। পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানো হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর)। এর মাধ্যমে পুরোপুরি দৃশ্যমান হল ৬ হাজার ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি।

এ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হওয়ার মধ্যেই তিনটি বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলেছে পদ্মা সেতু। একটি হল- পদ্মা সেতুর পাইলিং। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীলরা বলছেন, পদ্মা সেতুর খুঁটির নিচে সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীরে স্টিলের পাইল বসানো হয়েছে। এসব পাইল তিন মিটার ব্যাসার্ধের। বিশ্বে এখনও পর্যন্ত কোনো সেতুর জন্য এত গভীরে পাইলিং হয়নি এবং মোটা পাইল বসানো হয়নি।

দ্বিতীয় রেকর্ড হল, ভূমিকম্প থেকে পদ্মা সেতুকে টিকাতে ‘ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিং’ লাগানো হয়েছে।  যেই বিয়ারিংয়ের সক্ষমতা ১০ হাজার টন। এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোনো সেতুতে এমন সক্ষমতার বিয়ারিং লাগানো হয়নি। রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকতে পারবে পদ্মা সেতু।

আর তৃতীয় রেকর্ড হল, নদীশাসন। নদীশাসনে চীনের ঠিকাদার সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের সঙ্গে ১১০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়েছে। এর আগে নদীশাসনে এককভাবে এত বড় দরপত্র বিশ্বে আর হয়নি। এ ছাড়া পদ্মা সেতুতে পাইলিং ও খুঁটির কিছু অংশে অতি মিহি (মাইক্রোফাইন) সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। এসব সিমেন্ট অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা হয়েছে। এ ধরনের অতি মিহি সিমেন্ট সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। 

Advertisement

তিন বিশ্ব রেকর্ড করল পদ্মা সেতু

Advertisement

আরও পড়ুন

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুই ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

দুই ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য ৪ দিন এগোচ্ছে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখ

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য ৪ দিন এগোচ্ছে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখ

বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম